ডারউইন টেস্টের চার সেশন শেষের পথে। অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে অলআউট করার পর প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়ার আভাস দিচ্ছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর মুমিনুল হক ও তানজিদ হাসান তামিমের জুটি দারুণ অবদান রেখেছে। কিন্তু একশ ছাড়ানোর পর তাদের আলাদা করতে পেরেছে অস্ট্রেলিয়া।
বলা যেতে পারে, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের হাতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু তাদের চোখ রাঙাচ্ছে একটি বাজে স্মৃতি—অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম ইনিংসে দারুণ এক জুটির পরও বিব্রতকর হার। এমন দুঃসহ অভিজ্ঞতা হয়েছিল ২০০৩ সালের জুলাইয়ে। কেয়ার্নস টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১ উইকেটে ১৫৫ রান করেছিল বাংলাদেশ।

তারপর ২৯৫ রানে অলআউট। অস্ট্রেলিয়া পাল্টা জবাব দেয় ৫৫৬ রান করে। স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও পাঁচ উইকেট তুলে নেন। তাতে বাংলাদেশ ১৬৩ রানে দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে গিয়ে ইনিংস ও ৯৮ রানে হারে।
ওই ম্যাচে ৪৭ রানে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি ভেঙেছিল। তারপর হান্নান সরকার ও হাবিবুল বাশারের ১০৮ রানের জুটি। বাশার ৪৬ রানে ম্যাকগিলকে ফিরতি ক্যাচ দেন। পরে সানুয়ার হোসেন (৪৬) ও খালেদ মাসুদ (৪৪) চল্লিশের ঘর পার করেও ফিফটি বঞ্চিত হন।
এদিকে ডারউইনে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ দাপট দেখাচ্ছে। মুমিনুল হাফ সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন। ৪৯ রান করেন তিনি। তানজিদের সঙ্গে তার জুটি ছিল ১০২ রানের। বাংলাদেশ ১৩৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারিয়েছে। ডারউইনেও সেই কেয়ার্নসের ভয়াবহ বিপর্যয় না ফিরলেই হয়!
এফএইচএম
