ডারউইন টেস্টে স্বপ্নের মতো শুরুর পর দ্বিতীয় দিনটাও বাংলাদেশের ঝুলিতে। হাসান-তাসকিনদের আগুনে বোলিংয়ের পর ব্যাট হাতেও দারুণ সাড়া দেয় টাইগার ব্যাটাাররা।
তানজিদ তামিমের সেঞ্চুরি ও জোড়া ফিফটিতে এরই মধ্যে দেড়শোর বেশি রানের লিড পেয়ে গেছে সফরকারীরা। হাতে এখনো চার উইকেট রয়েছে। আগামীকাল তৃতীয় দিনে লিড আরও বাড়াতেই চাইবে বাংলাদেশ।
অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের দুইশোর আগে দ্রুত গুটিয়ে দেওয়ার পর স্বাগতিক বোলাররাও পাত্তা পাচ্ছে না টাইগারদের কাছে। এখনো পর্যন্ত প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউডদের ভালোভাবেই সামলেছে বাংলাদেশের ব্যাটাররা। অজি বোলারদের চিরায়ত কৌশল ‘স্লেজিং’-ও ভালোভাবে সামলেছেন মুমিনুল হক-তানজিদ তামিমরা।
দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তানজিদ বলছিলেন, 'আমি আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলাম। জানতাম, যখন তারা উইকেট পাবে না, তখন কঠিন সময় তৈরি করার চেষ্টা করবে হোক সেটা বোলিং দিয়ে বা কথার মাধ্যমে। কিছুটা করেছে, তবে খুব বেশি নয়। আমি যেহেতু আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলাম, তাই সেগুলোকে খুব একটা গুরুত্ব দিইনি।'
পরে নতুন বলে ব্যাট করা নিয়ে তামিম বলেন, 'ওরা বিশ্বের এক নম্বর দল। নতুন বলে ওদের বিপক্ষে ব্যাট করা কঠিন ছিল। আমরা চেষ্টা করেছি কম শট খেলে কীভাবে স্ট্রাইক রোটেট করা যায়। বাজে শট না খেলে পার্টনারশিপ গড়াই ছিল লক্ষ্য। আমার ও মুমিনুল ভাইয়ের, আমার ও শান্ত ভাইয়ের, আর শান্ত ভাই ও মুশফিক ভাইয়ের পার্টনারশিপ আমাদের বড় সংগ্রহ গড়তে সাহায্য করেছে। আমি কখনও বোলার দেখে খেলিনি। আমি চেষ্টা করেছি বলের মেরিট অনুযায়ী খেলার।'
ওয়ানডে ফরম্যাটের মাইন্ডসেট নিয়ে খেললেও প্রয়োজনের সময় ধৈর্যও দেখিয়েছেন তামিম, 'আসলে তেমন কিছু না। যখন আমাকে টেস্ট দলে নেওয়া হয় স্পষ্ট বার্তা ছিল আমি কেমন খেলব। ওয়ানডেতে যেভাবে ব্যাট করি একই মাইন্ডসেট নিয়ে খেলার চেষ্টা করেছি। তারা আমাকে বাজে বল করেনি বা রুম দেয়নি, অনেক টাইট লাইনে বল করেছে। তাই আমি চেষ্টা করেছি যত বেশি ধৈর্য নিয়ে খেলা যায়।'
এসএইচ
