ডারউইন টেস্টে বেশ ব্যাকফুটে অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সফরকারী বাংলাদেশের বিপক্ষে কোনো সেশনেই তারা সেভাবে নিয়ন্ত্রণটা নিজেদের হাতে রাখতে পারেনি। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত দুইশ’র বেশি লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। এরই মাঝে তৃতীয় দিনে বিরল একটি ‘নো বল’ করলেন অস্ট্রেলিয়ান পেসার মিচেল স্টার্ক।
বাংলাদেশের টপ ও মিডল অর্ডার ব্যাটারদের কাছে ভুগেছেন অস্ট্রেলিয়ান বোলাররা। টেলএন্ডারদের কাছেও ছাড় নেই। মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে হাসান মাহমুদ ও তাইজুল ইসলামের জুটি তাদের চূড়ান্ত হতাশা উপহার দিয়েছে। তাদের ফাঁদে ফেলতে শর্ট বল করার পরিকল্পনা ছিল অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের। যাতে সেসব শট খেলতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ ওঠার মতো পরিস্থিতি তৈরি করা যায়।
সেই লক্ষ্যে ১২৬তম ওভারে কামিন্স ডিপ ফাইন লেগ, স্কয়ার ফাইন লেগ ও ডিপ স্কয়ার লেগে তিনজন ফিল্ডার সেট করেন। শেষ পজিশনে ফিল্ডিং করা মারনাস লাবুশেনকে স্কোয়ারের ঠিক সামনে থাকতে হতো, যাতে বডিলাইনের বোলিং সীমিত করার জন্য চালু হওয়া নো-বল নিয়মের ফাঁদে অস্ট্রেলিয়া না পড়ে। লাবুশেন বোলিংয়ের আগমুহূর্তে একটু এগিয়ে থাকলেও, বল করার সময় পিছিয়ে গিয়েছিলেন।
— cricket.com.au (@cricketcomau) August 15, 2026
অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম ক্রিকেট ডটকম ডটএইউ তাদের ম্যাচের ধারাবিশ্লেষণীতে লিখেছে, কামিন্স বা লাবুশেনের মধ্যে কেউ একজন তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিলেন এবং মিরাজকে করা স্টার্কের সেই ডেলিভারিটির সময় তিনি স্কোয়ারের সামান্য পেছনে ছিলেন, ফলে আম্পায়াররা নো-বলের সংকেত দেন। এই বিশালদেহী বাঁ-হাতি পেসার নিশ্চয়ই প্রচণ্ড রেগে যাবেন যে তাকে বলটি আবার করতে হবে।

ওই ওভারের শেষের দিকে বাংলাদেশের ৭ নম্বর ব্যাটসম্যান মিরাজ ১১৭ বলে তার অর্ধশতক পূর্ণ করেন, যা স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার জন্য একটি হতাশাজনক ইনিংস ছিল। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৪১৭ রান, তাদের লিড দাঁড়াল ২১৯ রানে। এই মুহূর্তে মিরাজ ৬৫ ও তাসকিন আহমেদ ১২ রানে অপরাজিত আছেন।
এএইচএস
