বিজ্ঞাপন

শ্রীলঙ্কা যা পারেনি, পাকিস্তান করেছে ৩০ বছর আগে– সেটাই দেখাল বাংলাদেশ

শ্রীলঙ্কা যা পারেনি, পাকিস্তান করেছে ৩০ বছর আগে– সেটাই দেখাল বাংলাদেশ

১৯৮৮ সালে প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। দেশটিতে সবমিলিয়ে সাতবার সফর করে ১৫টি টেস্ট খেললেও অর্জুনা রানাতুঙ্গা ও কুমার সাঙ্গাকারার দল জয়ের স্বাদ পায়নি। আর পাকিস্তান চারবার অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে টেস্ট জিতলেও সর্বশেষ জয় ১৯৯৫ সালে। তাদের দীর্ঘ অপেক্ষার মাঝে বাংলাদেশ ইতিহাস গড়ে জিতল তাসমান পাড়ের দেশটিতে।

২০০৩ সালে প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলার আমন্ত্রণ পেয়েছিল বাংলাদেশ। ডারউইন ও কেয়ার্নসে খেলা দুটি ম্যাচেই লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল। ২৩ বছর পর বাংলাদেশ টেস্ট খেলতে গিয়ে স্বাগতিকদের বিপক্ষে দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে ঐতিহাসিক জয় তুলে নিলো।

শ্রীলঙ্কার ৩৯ বছরের অপেক্ষার মাঝে বাংলাদেশ দ্বিতীয় সফরে গিয়েই অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল। যা বিদেশের মাটিতে তাদের দশম জয়। এ ছাড়া বাংলাদেশের টেস্ট জেতা ষষ্ঠ দেশ অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে হাসান মাহমুদের দাপটের পর তানজিদ তামিমের সেঞ্চুরি ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত’র ৮৪ রানের অনবদ্য ইনিংস। দ্বিতীয় ইনিংসে মেহেদি হাসান মিরাজের ফাইফার ও হাসানের ৩ উইকেট মিলিয়েই বাংলাদেশ অবিস্মরণীয় এই অধ্যায় রচনা করল।

অস্ট্রেলিয়ায় নিজেদের প্রথম সফরে ডারউইনে প্রথম টেস্ট খেলা বাংলাদেশ এবারও সেখানেই নিজেদের যাত্রাটা শুরু করল। ওই মাটিতে এবার আন্তর্জাতিক টেস্টও গড়াল ২২ বছর পর। ভেন্যুটির প্রত্যাবর্তন ম্যাচটিও হয়ে থাকল ক্রিকেটবিশ্বের অন্যতম রোমাঞ্চকর লড়াই দিয়ে। বাংলাদেশ ৯ উইকেটে জিতে নিজেদের একপেশে দাপটের চূড়ান্ত নজরানা পেশ করল।

প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর বাংলাদেশ করেছিল ৪২৬ রান। ফলে তাদের লিড দাঁড়ায় ২২৮ রানের। দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যামেরন গ্রিনের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়া কামব্যাকের ইঙ্গিত দিলেও, তাদের দলীয় সংগ্রহ ছিল ২৮৪ রান। অর্থাৎ, বাংলাদেশের রান পেরিয়ে আর ৫৬ রান করেছে প্যাট কামিন্সের দল। যা সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হকের ব্যাটে ভর করে ৯ উইকেট হাতে রেখে পেরিয়েছে ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া বাংলাদেশ।

এএইচএস