বিজ্ঞাপন

পেলে-ম্যারাডোনা-মেসি তিনজনই সেরা : ক্যানিজিয়া

পেলে-ম্যারাডোনা-মেসি তিনজনই সেরা : ক্যানিজিয়া

সর্বকালের সেরা ফুটবলার কে? এ নিয়ে প্রায়ই আলোচনা হয়। কেউ বলেন পেলে, কেউ আবার ম্যারাডোনা। আবার সাম্প্রতিক সময়ে অনেকের দৃষ্টিতে লিওনেল মেসি তাদের ছাপিয়ে গেছেন। ম্যারাডোনার সঙ্গে খেলা এবং মেসিকে দেখা আর্জেন্টিনার সাবেক তারকা ফুটবলার ক্লদিও ক্যানিজিয়া সেই তালিকায় পেলেকেও রেখেছেন।

দুই দিনের সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকায় এসেছেন আর্জেন্টিনার হয়ে একাধিক বিশ্বকাপ খেলা ক্যানিজিয়া। সর্বকালের সেরা হিসেবে ম্যারাডোনা-মেসির মধ্যে কাকে বেছে নেবেন? আজ ফর্টিজ গ্রাউন্ডে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি পেলেকে যোগ করে বলেন, 'আমি একজনকে বেছে নিতে চাই না। পেলে, ম্যারাডোনা ও মেসি—এই তিন জনই ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা প্রতিভাদের মধ্যে রয়েছেন। আর তাদের মধ্যে দুজনই আর্জেন্টিনার! আর্জেন্টাইন হিসেবে এটা আমাদের জন্য বিশাল গর্বের বিষয়।'

৩৯ বছর বয়সে মেসি আমেরিকা বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলেছেন। এমন পারফরম্যান্সের পর আলোচনা উঠেছে ২০৩০ বিশ্বকাপেও খেলার। এটা অনেকটাই কঠিন মনে করছেন ম্যারাডোনার এই সতীর্থ, 'সত্যি বলতে, আমার মনে হয় মেসির জন্য ২০৩০ বিশ্বকাপ খেলা কঠিন হবে। তবে মেসির মতো ফুটবলার চাইলে ৪১, ৪২ কিংবা ৪৩ বছর বয়স পর্যন্ত খেলতে পারেন। সে ফুটবলের একজন জাদুকর। দক্ষতার দিক থেকে সে পারবে। তবে শেষ পর্যন্ত বিষয়টি নির্ভর করবে তার ইচ্ছা ও মানসিক প্রস্তুতির ওপর।'

১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের গোল ক্যানিজিয়াকে বিশ্ব ফুটবলের আলোতে এনেছে। তেমনি ২০০২ সালের লাল কার্ডের ঘটনাও বিশেষ। দুই যুগ আগের স্মৃতি স্মরণ করে বলেন, 'সেটা ছিল অবিশ্বাস্য একটি ঘটনা। আমার বিশ্বাস, রেফারির ভুলেই আমাকে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। প্রায় ২০ বছরের ক্যারিয়ারে রেফারিদের অনেক ভুল দেখেছি। ওই ঘটনাটি আমার জন্য মোটেও ভালো ছিল না। তবে আমি বিশ্বাস করি, সেটা আমার ভুল ছিল না।'

বাংলাদেশ দলের এখন প্রাণভোমরা হামজা চৌধুরি। ইংল্যান্ডে খেলা এই ফুটবলারকে চেনেন ক্যানিজিয়া,‌ 'আমি তাকে (হামজা) চিনি। সে খুব ভালো খেলোয়াড়। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা একজন ফুটবলার থাকা বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় প্লাস পয়েন্ট। আপনার দলের একাধিক খেলোয়াড় যদি ইংল্যান্ড, স্পেন, ইতালি কিংবা ইউরোপের ভালো প্রতিযোগিতায় খেলতে পারে, তাহলে তাদের অভিজ্ঞতা জাতীয় দলের উন্নতিতে বড় ভূমিকা রাখবে। অন্য দেশে খেলোয়াড় রফতানি না করলে উন্নতি করা কঠিন।'

বাংলাদেশের ফুটবলে কাজ করা সম্পর্কে বলেন, 'এখন পর্যন্ত আমার কাছে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব আসেনি। যদি আসে, অবশ্যই ভেবে দেখবো। যে দল সামনে এগিয়ে যেতে চায় এবং অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায়, তাদের সঙ্গে কাজ করা সবসময় আনন্দের। ফুটবলে নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়ার সুযোগ সবসময় থাকে। তাই ভবিষ্যতে এমন কিছু হলে কেন নয়?'

এজেড/এইচজেএস