গতকাল রাতে ঢাকা আবাহনী ফিফা নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়েছে। এখন এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের দলবদলে অংশগ্রহণে করতে কোনো বাধা নেই। আবাহনীর এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন বাফুফে নির্বাহী সদস্য ও আবাহনীর কর্মকর্তা সত্যজিত দাস রুপু। তিনিই মূলত আবাহনীর ফুটবল দল দেখভাল করতেন। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দিনই আবাহনী ক্লাবের নীতি নির্ধারকরা সাবেক ফুটবলার শহীদ হোসেন স্বপনকে ম্যানেজারের দায়িত্ব দিয়েছেন।
বাফুফে নির্বাহী কমিটির সদস্য এমনকি স্ট্যান্ডিং কমিটিতে থাকা কেউ ঘরোয়া ফুটবল প্রতিযোগিতায় ডাগ আউটে থাকতে পারবেন না। তাই আবাহনীর ম্যানেজার পদে আনুষ্ঠানিকভাবে ছিলেন না রুপু। আলী ইয়াকুব ঝন্টু নামে ম্যানেজার থাকলেও সকল কিছুই দেখতেন রুপু। এক মৌসুম আগেও রুপু ছিলেন না। ঐ সময়ে ব্যবস্থাপনার ভুলেই মূলত ফিফার নিষেধাজ্ঞাগুলো আসে। এরপর আবার রুপুকে দায়িত্ব দেয় ক্লাব। সংকটপূর্ণ সময় পার হওয়ার পর রুপুকে সরিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। কেন এমন সিদ্ধান্ত সেটার কোনো ব্যাখ্যা জানাননি ক্লাবের কোনো পরিচালক।
কোচ হিসেবে মারুফুল হকই রয়েছেন। দল গঠনে এবার তার ওপর ভরসা করছে ক্লাব। কোচের পাশাপাশি খানিকটা সংগঠক ভূমিকায় থাকবেন তিনি। নতুন ম্যানেজার শহীদ হোসেন স্বপন প্রায় দুই দশক আগে আবাহনীর জার্সিতে খেলেছেন অর্ধযুগ। ১৯৯৮ সালে খেলা ছাড়ার পর আবাহনী ক্লাবের সঙ্গে সেভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন না। নারায়ণগঞ্জ জেলা ফুটবল এসোসিশেয়নের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঢাকা আবাহনী ফিফা নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হলেও দল গঠন করতে পারেনি এখনো। ফলে আগামীকাল ফুটবলারদের নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করা দূরহই তাদের পক্ষে। বাংলাদেশ ফুটবল লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস আরো কঠিন পরিস্থিতিতে। তারা ক্লাব লাইসেন্সিংই করতে পারেনি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হওয়ায়। তবে তাদের নিষেধাজ্ঞা ধীরে ধীরে কমছে। ১৪ থেকে তাদের নিষেধাজ্ঞা সংখ্যা এখন ৯। আজ রাতে আরেকটি কমেছে। আগামীকাল ফুটবলার নিবন্ধনের শেষ দিন হলেও বাফুফে আরেক দফা বাড়ানোর সম্ভাবনাই বেশি।
এজেড/এইচজেএস
