একটি টেস্টই যেন বদলে দিয়েছে ডারউইনের ক্রিকেট-ভাবনা। বাংলাদেশের বিপক্ষে গত সপ্তাহের সেই রোমাঞ্চকর ম্যাচ শুধু অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলের শহরটিকে ক্রিকেটের মানচিত্রে নতুন করে তুলে ধরেনি, তৈরি করেছে আরও বড় স্বপ্নও। ডারউইনে এখন চাওয়া—আর যেন টেস্ট ক্রিকেটের জন্য দুই দশক অপেক্ষা করতে না হয়।
মারারা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টটি ছিল ২০০৪ সালের পর ডারউইনে প্রথম। চার দিনে শেষ হওয়া সেই ম্যাচ দেখতে মাঠে এসেছিলেন ১৫ হাজারের বেশি দর্শক, যাদের অর্ধেকেরও বেশি এসেছিলেন নর্দার্ন টেরিটরির বাইরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে। দর্শকদের এমন উপস্থিতি এবং মাঠের ক্রিকেট—দুটিই আশাবাদী করে তুলেছে স্থানীয় ক্রিকেট প্রশাসনকে।
নর্দার্ন টেরিটরি ক্রিকেটের প্রধান গ্যাভিন ডোভি মনে করছেন, বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটি ডারউইনের জন্য বড় একটি সুযোগ তৈরি করেছে। স্থানীয় প্রশাসনের আশা, এই সাফল্যকে সামনে রেখে ভবিষ্যতে আরও আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের জন্য সরকারের কাছ থেকে বাড়তি অর্থায়নও পাবে তারা।
ডোভি বলেছেন, 'আমার মনে হয়, মাঠের ক্রিকেট এতটাই ভালো হয়েছে যে কিছু সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে। এবার আমরা দারুণ একটি অবস্থানে আছি।'
মারারা স্টেডিয়ামের উইকেটও পেয়েছে প্রশংসা। আইসিসির ম্যাচ রেফারি রিচি রিচার্ডসনের কাছ থেকে পূর্ণ নম্বর পাওয়ার আশা করছে স্থানীয় প্রশাসন। ড্রপ-ইন পিচে ব্যাট-বলের ভারসাম্য ছিল, ম্যাচটিও পেয়েছিল অনেকটা ‘পুরোনো দিনের’ টেস্টের আবহ। গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টির জন্যও একই মাঠের উইকেট প্রশংসা কুড়িয়েছিল।
এইচজেএস
