‘সুলিভান ব্রাদার্স’ বাংলাদেশ ফুটবলে পরিচিত নাম। লাল-সবুজ জার্সিতে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী দলে খেলেছিলেন রোনান সুলিভান ও ডেক্ল্যান সুলিভান। তাদের বড় দুই ভাই আজ (বৃহস্পতিবার) মুখোমুখি হয়েছিলেন লিওনেল মেসি ইন্টার মায়ামির। যদিও শেষ মুহূর্তে লাল কার্ড দেখে কাভান সুলিভানের তিক্ত অভিজ্ঞতাই হলো। বিপরীতে মেসির গোল-অ্যাসিস্ট সত্ত্বেও ড্র–তেই সন্তুষ্ট থাকতে হলো মায়ামিকে।
ঘরের মাঠ সুবারু স্টেডিয়ামে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন আতিথ্য দিতে নেমেছিল মেসি-সুয়ারেজের দলকে। ১১ মিনিটে প্রথমে পিছিয়ে পড়লেও দুই গোল করে লিড নেয় ইন্টার মায়ামি। ৫৮ মিনিটে আরেক গোল করে ফিলাডেলফিয়া ২-২ সমতা নিয়ে ম্যাচ শেষ করেছে। শেষদিকে হাতাহাতিতে জড়িয়ে ফিলাডেলফিয়ার কাভান সুলিভান ও মায়ামির ইয়ানিক ব্রাইট লাল কার্ড দেখেন।
— Inter Miami CF (@InterMiamiCF) August 20, 2026
ম্যাচের ১১ মিনিটে ইন্ডিয়ানা ভাসিলেভের গোলে লিড নেয় স্বাগতিকরা। মিনিট দশেক পর ড্যানিয়েল পিন্টারের গোলে মায়ামি সমতায় ফেরে। সেই গোলে বলের যোগান দেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ৫ মিনিট বাদে দারুণ এক গোল করে মেসিই নাম তোলেন স্কোরশিটে। প্রতিপক্ষের ডিফেন্সকে নাঁচিয়ে বক্সে ঢুকে অল্প দূরত্ব থেকে তিনি বাঁ পায়ে ছোট বাঁক খাওয়া শটে জাল কাঁপান। মায়ামি এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে।
বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুতে শোকাহত ছিলেন মেসি। কয়েকদিন পরই ক্লাবে ফিরে শুরুতে কিছুটা শোকগ্রস্ত মনে হলেও, ধীরে ধীরে সেটি কাটিয়ে উঠেছেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। সেই ফল পেল মায়ামি। গোল-অ্যাসিস্টে তিনি দলকে এগিয়ে দিলেও, ৫৮ মিনিটে নীল পিয়েরের গোলে সেই লিড কেড়ে নেয় ফিলাডেলফিয়া।
এ নিয়ে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) চলতি মৌসুমে ১৭টি ম্যাচে মেসির গোল সংখ্যা ১৩টি এবং অ্যাসিস্ট সংখ্যা ৯টিতে দাঁড়াল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে খেলা ছয় ম্যাচে তার গোল ছয়টি ও অ্যাসিস্ট চারটি।
ফিলাডেলফিয়া ম্যাচের আগে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা তিন ম্যাচ হেরেছিল মায়ামি। এর মধ্যে লিগস কাপে দুটি মেক্সিকান ক্লাবের কাছে পরাজয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ন্যাশভিলের কাছে হারের ফলে ৯ মে থেকে শুরু হওয়া এমএলএসে তাদের সাত ম্যাচের অপরাজিত যাত্রার (৬-০-১) সমাপ্তি ঘটে।
এএইচএস
