ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ১৭১ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস। এরপর তাদের হয়ে মাত্র তৃতীয় টেস্ট খেলতে নামা স্পিনার আলি উসমান পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন। তবে ততক্ষণে প্রায় দুইশ (১৯৫) ছোঁয়া লিড নিয়েছে জো রুটের ইংল্যান্ড। হ্যারি ব্রুক ৯১ রানে আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেও দলকে এগিয়ে নিয়েছেন লম্বা পথ। দ্বিতীয় দিন শেষে ইংলিশদের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩৬৬ রান।
হেডিংলিতে ৩৪ ওভার ব্যাটিং করে রুট ও জর্ডান কক্স মিলে গড়েছেন ১৫০ রানের জুটি। তাতেই মূলত ব্যাটিংয়ে হতাশার পর বোলিংয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা শেষ হয়ে যায়। ১০০ বলে ১৪ চারের বাউন্ডারিতে ৭৩ রান করেছেন কক্স। ৪ বলের ব্যবধানে আউট হওয়া রুট ১১২ বলে ১০টি চারের সাহায্যে ৬৬ রান করেন। এর মধ্য দিয়ে ভারতীয় কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের সমান টেস্টে সর্বোচ্চ ৪৮তম হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করলেন রুট।

এ ছাড়া অধিনায়ক হিসেবে ৪২টি ইনিংসে পঞ্চাশোর্ধ রান করেছেন রুট। তার আগে অবশ্য আছেন বিশ্ব ক্রিকেটের আরও চার অধিনায়ক। টানা দ্বিতীয় দিন বৃষ্টির বাধায় না পড়লে হয়তো ইংলিশদের লিডটা আরও বড় কিংবা পাকিস্তানকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে দেখা যেত। তবে সফরকারীরা যে ইতোমধ্যে দারুণ চাপে পড়ে গেছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
ব্রুক ও ড্যান লরেন্সের পঞ্চম উইকেট জুটিতে আরেকটি শতরান (১২০) পায় ইংল্যান্ড। লরেন্স ৭৯ বলে ৫১ রান করে আউট হলেও ব্রুক ছুটছিলেন সেঞ্চুরির দিকে। তবে আলি উসমানের বলে বোল্ড হয়ে তাকে ফিরতে হয় ৯ রানের আক্ষেপ নিয়ে। ৯৩ বলে ১৩টি চারের মারে তিনি ৯১ রান করেন। দিন শেষে জেমি স্মিথ ১৬ রানে অপরাজিত আছেন, একমাত্র স্বীকৃত এই ব্যাটারের কল্যাণে ইংলিশরা লিডটা আরও বাড়িয়ে নিতে চাইবে।
এদিকে, পাকিস্তানের স্পিনার আলি উসমান নিজের তৃতীয় টেস্ট খেলতে নেমে প্রথম ফাইফার (৫ উইকেট) তুলে নিয়েছেন। যা ইংল্যান্ডের মাটিতে ১০ বছর পর দেশটির কোনো বোলারের ৫ উইকেট শিকার। সর্বশেষ ওই কীর্তি গড়েন ইয়াসির শাহ। এ ছাড়া পাকিস্তানের পক্ষে ১টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ আব্বাস, খুররম শেহজাদ ও মোহাম্মদ আলি।
এএইচএস
