বিজ্ঞাপন

আবারও এসএ গেমস নিয়ে তোড়জোড়

আবারও এসএ গেমস নিয়ে তোড়জোড়

আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর জাপানের নাগোয়ায় এশিয়ান গেমস শুরু হতে যাচ্ছে। এশিয়ার সকল দেশই আসন্ন এই আসর নিয়ে ব্যস্ত। ইতোমধ্যে পাকিস্তান আগামী বছরের এসএ গেমস নিয়ে তোড়জোড় শুরু করেছে। ইসলামাবাদে চলতি মাসের ২৩ ও ২৪ তারিখ এসএ গেমস নিয়ে সভা রয়েছে।

বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানা ও সহ-সভাপতি মেজর ইমরোজ আহমেদ (অব) গতকাল পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন৷ করাচি থেকে তারা ইসলামাবাদ মিটিংয়ে যোগ দেবেন।

দেশ ছাড়ার আগে বিওএ মহাসচিব রানা বলেছিলেন, ‘পাকিস্তান গেমস নিয়ে খুবই আন্তরিক। তারা মার্চে নির্ধারিত সময়ে গেমস করতে চায়। স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে সাফের দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছিল। তখন অন্য দেশ বলেছিল পাকিস্তান না করলে তারা আয়োজনে প্রস্তুত। পাকিস্তান তখন নিশ্চয়তা দেয় তারা গেমস করবেই। আগস্টে এসএ গেমস নিয়ে মিটিংয়ের দিনক্ষণ ঠিক হয়।’

২০১৯ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে এসএ গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দুই বছর পর পর দক্ষিণ এশিয়ার এই গেমস হওয়ার কথা থাকলেও হয়নি। বিশেষ করে পাকিস্তান একের পর এক সময় ক্ষেপণ করেছে। ২০২৬ সালে এই গেমস হওয়ার কথা ছিল। এজন্য বাংলাদেশের ফেডারেশনগুলো অনুশীলন শুরু করেছিল। শেষ পর্যন্ত গেমস না হওয়ায় ফেডারেশন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

২০২৭ সালের ২৩-৩১ মার্চ পাকিস্তানে এসএ গেমসের সূচি। লাহোর, ইসলামাবাদ ও ফয়সালাবাদ—এই তিন শহরে আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। তবে বিওএ সহ-সভাপতি ইমরোজ এটিকে দুই শহরে সীমাবদ্ধ রাখার সম্ভাবনা দেখছেন। তিনি জানান, ‘পাকিস্তান এখন দুই শহরে গেমস করতে চায়। এতে তাদের আয়োজনে সুবিধা হতে পারে।'

এসএ গেমস আয়োজনে অনিশ্চয়তার মূল কারণ ভারত-পাকিস্তান বৈরিতা। পাকিস্তানে এসএ গেমসে ভারত অংশগ্রহণ করবে কিনা—তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে। তবে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব রানার তথ্য অনুযায়ী, ভারত অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাবেক তারকা অ্যাথলেট পিটি উষা মিটিংয়ে উপস্থিত থাকেন।

এজেড/এমএমএম

 

বিজ্ঞাপন