বিজ্ঞাপন

ফিফার শাস্তির পর যে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা

ফিফার শাস্তির পর যে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপে নানা সময়ে বিভিন্ন ঘটনার কারণে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিশন তদন্তে নেমেছিল। শুক্রবার সেই তদন্তের রায় দিয়েছে তারা। বিশ্বকাপ ফাইনালে মারামারির ঘটনায় আর্জেন্টিনার তিন খেলোয়াড়কে ১৮ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকেও জরিমানা করেছে তারা। পরে তাদের সংস্থাও নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে।

ফিফা লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে ১০ ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে। স্পেনের গাভির নিষেধাজ্ঞা এক ম্যাচের। বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ম্যাচের পর দুই দলের খেলোয়াড়দের মারামারির ঘটনায় এই শাস্তি দিয়েছে ফিফা। আর্জেন্টিনার আরও দুই খেলোয়াড় ও এক কোচও নিষেধাজ্ঞার শাস্তি পেয়েছেন। নাহুয়েল মোলিনাকে সাত ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। থিয়াগো আলমাদাকে দুই ম্যাচ এবং লিওনেল স্কালোনির স্টাফ দলের সদস্য রবার্তো আয়ালাকে এক ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া বড় অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে পারেদেস ও মোলিনাকে। দুজনকেই ৯০ হাজার মার্কিন ডলার গুনতে হবে। এছাড়া শাস্তি পাওয়া বাকি তিন জনকে ৩০ হাজার ডলার জরিমানা করা হয়েছে।

ফিফা শুধু ফাইনালের পরের ঘটনাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। টুর্নামেন্ট চলাকালে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে (এএফএ) আরও কিছু ঘটনায় শৃঙ্খলামূলক তদন্ত শুরু করে। এর মধ্যে ছিল বৈষম্যমূলক স্লোগান ও অঙ্গভঙ্গি, ম্যাচের শুরুতে দেরি, নিরাপত্তা প্রটোকল লংঘন, বস্তু নিক্ষেপ এবং অনুপযুক্ত বার্তার প্রদর্শনের মতো অভিযোগ।

বিশেষ করে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল জয়ের পর ‘মালভিনাস আর্জেন্টাইনস’ ব্যানার প্রদর্শন করাসহ বিভিন্ন আচরণবিধি লংঘন করার কারণে প্রায় আড়াই লাখ ইউরো জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া এএফএ-কে তাদের পরবর্তী দুটি হোম ম্যাচ ৫০ শতাংশ দর্শক ধারণক্ষমতা নিয়ে খেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মোট জরিমানার অর্থের মধ্যে
১ লাখ মার্কিন ডলার বৈষম্য বিরোধী একটি পরিকল্পনায় বিনিয়োগ করতে হবে।

আজ শুক্রবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, ‘আমরা যে সকল নোটিশ পেয়েছি তার পরিপ্রেক্ষিতে এবং অ্যাসোসিয়েশন ও আমাদের খেলোয়াড়দের অধিকার রক্ষার্থে এএফএ-এর আইনি বিভাগ উপযুক্ত সময়ে ও উপযুক্ত প্রক্রিয়ায় ফিফার কাছে এই পর্যালোচনার আওতাধীন সিদ্ধান্তগুলোর পেছনের কারণ জানতে চাইবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার আপিল কমিটির কাছে আপিল দায়েরের প্রস্তুতি হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি পরবর্তীতে শেষ উপায় হিসেবে স্পোর্টস আরবিট্রেশন কোর্টে যাওয়ার সম্ভাবনাও উন্মুক্ত রাখা হচ্ছে।’

এফএইচএম