ডারউইনে পুরো ১১ সেশন আধিপত্য বিস্তার করে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে উল্টো চিত্র। চলতি সিরিজে প্রথমবার কোনো একটি সেশন নিজেদের করে নিতে পেরেছে অজিরা।
২১ রানে ৬ উইকেট পড়েছে বাংলাদেশের। প্রথম ইনিংসে ভরাডুবি দেখেছে তারা। মিচেল স্টার্ক নেন প্রথম পাঁচ উইকেট। মাত্র ২২ বলে নিজের দ্বিতীয় দ্রুততম ফাইফারের দেখা পান তিনি। লাঞ্চে যায় বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ৩৫ রানে। চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যায়, তারা বড় ব্যবধানে হারের শঙ্কায়।
কিন্তু এমন বিপর্যয়ের পরও ঘুরে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের আছে। ২০২৪ সালের আগস্টে ২৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছিল তারা। পাকিস্তানের খুররাম শাহজাদ তোপ দাগান। কিন্তু সেখান থেকে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। লিটন দাসের ১৩৮ ও মেহেদী হাসান মিরাজের ৭৮ রানের কল্যাণে পাকিস্তানের ২৭৪ রানের জবাবে বাংলাদেশ করে ২৬২ রান।
তারপর হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানা নিজেদের মধ্যে ৯ উইকেট ভাগাভাগি করে পাকিস্তানকে ১৭২ রানে গুটিয়ে দেন। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৮৫ রানের। মাত্র চার উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে তারা। রাওয়ালপিন্ডিতে সেই টেস্ট ৬ উইকেটে জিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার কীর্তি গড়ে বাংলাদেশ।
এফএইচএম
