মিচেল স্টার্কের বোলিং তোপে প্রথম চার ব্যাটারের তিনজন ডাক মারেন। প্রথম ছয় জনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯ রান মুমিনুল হকের। বাংলাদেশি ব্যাটিং লাইনে এদিন প্রথম দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করেন মেহেদী হাসান মিরাজ (১১), তারপর হাসান মাহমুদ (১০)। তাইজুল ইসলাম অপরাজিত ছিলেন ১১ রানে। আর একজন দুই অঙ্কের ঘরে রান করেন—শরিফুল ইসলাম। এবং তিনিই ইনিংসের সর্বোচ্চ স্কোরার।
১৯ বলে তিন চারে ১৪ রান করেন শরিফুল। ইবাদত হোসেনের স্থলাভিষিক্ত হয়ে এই ম্যাচ খেলতে নামেন তিনি। ১১ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে দলের বাকিদের চেয়ে সবচেয়ে বেশি রান তার। তাতে এক বিরল কীর্তি গড়েছেন তিনি।
এ পর্যন্ত টেস্টে ১১ নম্বরে নেমে সর্বোচ্চ স্কোর করা ব্যাটারদের তালিকায় ১৩তম স্থানে জায়গা হলো শরিফুলের। ১৮৮৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ফ্রেডেরিক স্পোফোর্ত (৫০) এই কীর্তি গড়েছিলেন। তারপর ১৮৯৬ সালে টম ম্যাককিবিন এই তালিকায় নাম লেখান ১৬ রান করে। এই অস্ট্রেলিয়ানও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ইনিংস খেলেন।
এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার বার্ট ভোগলার (৬২*), পাকিস্তানের আসিফ মাসুদ (৩০*), শ্রীলঙ্কার আমেরাসিংহে (৩৪), বাংলাদেশের তালহা জুবায়ের (৩১), ইংল্যান্ডের হার্মিসন (৪২), অস্ট্রেলিয়ার নাথান লায়ন (১৪), অ্যাস্টন অ্যাগার (৯৮), ওয়েস্ট ইন্ডিজের শিলিংফোর্ড (৫৩*), আয়ারল্যান্ডের মুরতাঘ (৫৪*) এবং পাকিস্তানের সাকিব মাহমুদ (৪৯) ১১ নম্বরে নেমে দলের অন্যদের চেয়ে বেশি রান করেন।
এফএইচএম
