ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের রেশ না কাটতেই তারা ম্যাকাইতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নেমেছে। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে অবশ্য অজি পেসারদের বিপক্ষে ভূতুড়ে দশা ছিল সফরকারীদের স্কোরবোর্ডে। কল্পনাতীত বিপর্যয়ে পড়ে নাজমুল হোসেন শান্ত’র দল স্রেফ ৬৪ রানে অলআউট হয়ে যায়। বল হাতে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি করেছেন শরিফুল ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছেন বাঁ–হাতি এই পেসার। টেস্টে ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে তুলে নিয়েছেন ৬ উইকেট। যদিও দিন শেষে ১০১ রানে এগিয়ে আছে প্যাট কামিন্সের দল। ৮ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ১৬৫ রান। শরিফুল বোলিং নৈপুণ্য না দেখালে স্কোরবোর্ডে হয়তো ভিন্ন দৃশ্য দেখা লাগত!
ম্যাকাইতে প্রথম দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজের অবিস্মরণীয় বোলিং নিয়ে কথা বলেছেন এই পেসার। গত জুনে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় ওয়ানডেতে শরিফুল ৬ উইকেট নিলেও অবশ্য সেদিন জিততে পারেনি। সেই ম্যাচের সঙ্গে ম্যাকাইতে আজকের পারফরম্যান্স নিয়ে তুলনা প্রসঙ্গে শরিফুল বলেন, ‘অনুভূতি অবশ্যই ভালো। গতবার যেটা পেয়েছিলাম ওটাও ভালো লেগেছিল। সত্যি আরও ভালো লাগত যদি সেই ম্যাচটা জিততাম। আমি এখন চিন্তা করছি না যে ৫ উইকেট পেয়েছি বলে খুব খুশি। যদি ম্যাচ জিতি তবে অনেক খুশি হব।’
গ্রেট বেরিয়ার রিফ অ্যারেনায় বাতাসের কারণে বাঁ-হাতি পেসাররা একটু বাড়তি সুবিধা পেয়েছে কি না এমন প্রশ্নে শরিফুল জানান, ‘হ্যাঁ, আমরা ওই পাশ থেকে বোলিং করছিলাম। সেখানে বাতাস আমাদের বিপক্ষে ছিল, যার কারণে বল একটু বেশি সুইং করছিল।’
প্রথম দিনে উভয় দল ১৮ উইকেট হারিয়েছে। এর মধ্যে ১২ উইকেটই দুজনের দখলে। শরিফুলের আগে সমান ৬ উইকেট শিকার করেছেন অজি তারকা মিচেল স্টার্ক। তার সঙ্গে ব্যক্তিগত দ্বৈরথটা ভালোই জমিয়েছেন শরিফুল। যা বাংলাদেশকে আরও বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়া থেকে বাঁচিয়েছে, টিকিয়ে রেখেছে পুরোপুরি ম্যাচে ফেরার আশাও!
এসএইচ/এএইচএস
