দেশে কোচদের প্রশিক্ষণের জন্য সবসময় ব্যবস্থা রাখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে এবার নতুন করে পিচ কিউরেটরদের জন্য কর্মশালার আয়োজন করেছে তারা। মিরপুরে দুই দিনব্যাপী এই কর্মশালা শেষ হয়েছে গতকাল। পরে এনিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপ করেন বিসিবির হেড অব টার্ফ ম্যানেজমেন্টের প্রধান টনি হেমিং।
শুরুতে হেমিং বলছিলেন, ‘মূল উদ্দেশ্য হলো ১৫ থেকে ২৫ বছর ধরে ক্রিকেট বোর্ডের হয়ে কাজ করে আসা মাঠকর্মীদের পরিশ্রমকে স্বীকৃতি দেওয়া। এত দিন মাঠকর্মীদের আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। লেভেল-১ চালুর মাধ্যমে আমরা তাদের সেই স্বীকৃতি পাওয়ার একটি সুযোগ তৈরি করেছি। এটাই মূল উদ্দেশ্য।’
পরে মিরপুরে পিচের উন্নতিতে কিউরেটরদের অবদানের স্বীকৃতি দেন তিনি, ১গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের কিউরেটরদের উন্নতি এরই মধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। গত ছয় মাসের পিচের পরিস্থিতি দেখলেই সেটা বোঝা যায়। আমরা সবাই মিলে মিরপুরের পিচে উন্নতি করতে পেরেছি, সেটিকে আরও খেলার উপযোগী করে তুলেছি।’
কিউরেটরদের প্রশিক্ষণের ব্যাপারে নিজের অভিজ্ঞতা জানালেন হেমিং, ‘আমি অনেক দেশে আইসিসির কিউরেটর কোর্স পরিচালনা করেছি। প্রথম কিউরেটর কোর্সটি হয়েছিল দুবাইয়ের আইসিসি একাডেমিতে। সেখানে বাংলাদেশের দুজন শিক্ষার্থী বিলাল ও বাবুও ছিলেন। এভাবেই বিষয়টি এগিয়ে চলেছে। এখন পর্যন্ত আমার প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী হয়েছে।’
তিনি আরও বললেন, ‘৭০জনের মধ্যে যদি ১০ জনকে আমরা এলিট পর্যায়ে নিতে পারি, সেটিই হবে বড় অর্জন। এরই মধ্যে আমাদের দুজন মাঠ কর্মকর্তাকে দেখা গেছে, একজন সিঙ্গাপুরে, আরেকজন চীনে গেছেন। অতীতেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মাঠকর্মীরা বিশ্বের অন্য দেশগুলোর সঙ্গে নিজেদের জ্ঞান ভাগ করে নিয়েছেন। সেই ইতিহাস বাংলাদেশের আছে।’
কিউরেটরদের পরামর্শ দিয়েছেন হেমিং, ‘আমার পরামর্শ হলো, শেখার চেষ্টা করতে হবে এবং খুব কৌতূহলী হতে হবে। কীভাবে কোনো কিছু কাজ করে, কীভাবে নিজের কাজকে আরও উন্নত করা যায় এসব নিয়ে প্রশ্ন করতে হবে। আপনি যদি প্রশ্ন না করেন, তাহলে কখনোই উন্নতি করতে পারবেন না।’
এসএইচ/এফএইচএম
