বিজ্ঞাপন

এশিয়ান গেমসের জন্য ঢাকায় আসলেন ঋতু, নতুন সংকটে জিমি

এশিয়ান গেমসের জন্য ঢাকায় আসলেন ঋতু, নতুন সংকটে জিমি

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলে অন্যতম প্রধান নির্ভরতা ঋতুপর্ণা চাকমা। মিয়ানমারের ঘরোয়া লিগ ও এএফসি ওমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলে গতকাল দেশে ফিরেছেন তিনি। আজ সকালে জাতীয় নারী ফুটবল দলের অনুশীলনেও যোগ দিয়েছেন এই তারকা ফুটবলার।

১৯৭৮ সাল থেকে এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণ করে আসছে বাংলাদেশ। তখন থেকে ২০২৩ হাংজু গেমস পর্যন্ত সব আসরেই পুরুষ ফুটবল দল অংশগ্রহণ করেছে। এবার এএফসি অ-২৩ টুর্নামেন্টে মূল পর্বে যারা খেলেছে তারাই গেমসে খেলবে এই নিয়মের কারণে বাংলাদেশ পুরুষ ফুটবল দল খেলতে পারছে না। অন্যদিকে, নারী দল এশিয়া কাপের মূল পর্বে খেলার সুবাদে সুযোগ পেয়েছে।

১৯ সেপ্টেম্বর জাপানের নাগোয়ায় গেমসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলেও ফুটবল প্রতিযোগিতা আরও ৫ দিন আগেই শুরু হবে। তাই বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল সবার আগে ১১ সেপ্টেম্বর জাপানে পৌঁছাবে। গেমসের মূল শহর নাগোয়া হলেও নারী ফুটবলে বাংলাদেশের খেলা পড়েছে পাশের শহর ওসাকায়। জাপানে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও মিয়ানমার। শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে লড়ার জন্য বাংলাদেশ দল ১ সেপ্টেম্বর চীনে রওনা হবে। চীনে কয়েকটি ম্যাচ খেলে নাগোয়ায় ১১ সেপ্টেম্বর পৌঁছাবে।

ফুটবলে চূড়ান্ত স্কোয়াড ২৩ জনের হলেও গেমসে সাধারণত ২০ জনের দল দেয়। বাফুফের অনুরোধে এবার বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন আয়োজকদের কাছ থেকে ২৩ জন ফুটবলারের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড চূড়ান্ত করেছে।

এদিকে, গেমসের অ্যাক্রিডিটেশন ডেডলাইন শেষ হওয়ার পর ২৭টি ফেডারেশনের কমিটি বদল হয়। এরপর অনেক ফেডারেশন থেকে কোচ, কর্মকর্তা ও খেলোয়াড় বদলের আবেদন হয়। দীর্ঘ তালিকাতেও নাম থাকায় হকি খেলোয়াড় জিমি, কোচ পিটারসহ আরো অনেক ডিসিপ্লিনের ২০ জনের বেশি খেলোয়াড়, কোচের গেমসের অংশগ্রহণে অনিশ্চয়তা ছিল। বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সভাপতি অলিম্পিক কাউন্সিল অফ এশিয়া (ওসিএ) কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনার পর সেই জটিলতার সমাধান হয়েছে।

এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের কার্ড ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। নতুন আবেদন করা ২৩ জনের কার্ড ঢাকায় আর আসবে না, তাদের জাপানের ভিসা নিয়ে যেতে হবে। এতে নতুন সংকটে বাংলাদেশ হকি দলের তারকা খেলোয়াড় রাসেল মাহমুদ জিমি। ২ অক্টোবর হকি দলের চীন যাওয়ার কথা। জাপানের ভিসা আবেদন করলে পাসপোর্ট ঢাকাস্থ জাপান দূতাবাসে থাকলে চীন যাওয়া হবে না। 

জিমি না গেলে চীনে দলের অনুশীলন পূর্নাঙ্গতা পাবে না। এ নিয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইসতিয়াক সাদেক বলেন,'জাপানের ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া চলছে। কর্মকর্তা যাদের জাপান ভিসা লাগবে তারা চীন যাবে না, কন্টিনজেন্ট সংক্ষিপ্ত হবে। মিমোর নাম দীর্ঘ তালিকায় থাকা ভিসা লাগছে না,খেলোয়াড়দের মধ্যে শুধু জিমি। ভিসা আবেদন করে চীন ঘুরে এসে পাসপোর্ট পরে জমা দেওয়ার অনুরোধ করা হবে অথবা চীনে জাপান দূতাবাসে ভিসা নেওয়ার চেষ্টা। এখন পর্যন্ত জিমিকে নিয়েই চীন যাওয়ার পরিকল্পনা দেখা যাক কি হয়।’

এজেড/এফআই