ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের খেলোয়াড়দের সঙ্গে মারামারি করে বিভিন্ন মেয়াদে নিষিদ্ধ হয়েছেন আর্জেন্টিনার তিন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ দলের এক সদস্য। তিন ফুটবলার লিয়ান্দ্রো পারেদেস, নাহুয়েল মোলিনা ও থিয়াগো আলমাদা যথাক্রমে ১০, ৭ ও এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন। এই শাস্তি শেষ হতে যেন দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে না হয়, সেজন্য ফিফাকে বিশেষ অনুরোধ করেছিল আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। পরে এই শাস্তিতে পরিবর্তন এনেছে বিশ্ব ফুটবল সংস্থা।
এএফএ ফিফাকে অনুরোধ করেছিল, যেন তাদের খেলোয়াড়দের নিষেধাজ্ঞা ‘এ’ শ্রেণির প্রীতি ম্যাচেও কার্যকর হয়। আগের ঘোষণা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক উইন্ডোর সব ম্যাচেই তাদের শাস্তি গণনায় ধরা হতো না। কিন্তু ফিফা শাস্তি শিথিল করার কারণে শুধু প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে নিষেধাজ্ঞা কাটানোর অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে না পারেদেস, মোলিনা ও আলমাদাকে। প্রীতি ও আনুষ্ঠানিক ম্যাচেও এই নিষেধাজ্ঞা গণনা করা হবে।
এএফএ-র এক বিবৃতি অনুযায়ী, ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি রীতি মেনেই এই অনুমোদন দিয়েছে। তাতে করে এই বছরের শেষ দিকে ও ২০২৭ সালের শুরুর দিকে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে তিন খেলোয়াড়ের শাস্তির মেয়াদ কমে আসার সুযোগ থাকছে। জানা গেছে, চলতি বছরের বাকি সময়ের মধ্যে ছয় ম্যাচ খেলতে পারে আর্জেন্টিনা।
শাস্তিতে বড় পরিবর্তন আনলেও এই ইস্যুতে লড়াই চালিয়ে যাবে আর্জেন্টিনা। তাদের ফেডারেশন পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, সঠিক আপিল প্রক্রিয়া মেনে তারা নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে আনার উপায় খুঁজছে। নথিপত্র হাতে পাওয়ামাত্র ফিফার আপিল কমিটির কাছে আবেদন জানাতে পারবে। এএফএ-র আইনি উপদেষ্টা আন্দ্রেস পাতন ইতোমধ্যে শাস্তির তীব্র মাত্রা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ফেডারেশন এই শাস্তিকে মাত্রাতিরিক্ত মনে করছে। আবেদন করে তারা ব্যর্থ হলে চ্যালেঞ্জ জানাতে তাদের শেষ আশ্রয়স্থল হবে কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্ট (সিএএস)।
এফএইচএম
