আসিয়ান কাপ উপলক্ষে ২৮ জনের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ থমাস ডুলি। ইতোমধ্যে দুই দিন অনুশীলনও করেছে সেই খেলোয়াড়রা। তবে দেশের বাইরের লিগে খেলা প্রবাসী ফুটবলারদের নাম এখনও ঘোষণা করেননি কোচ, যাদের কয়েকজনকে আলাদাভাবে পরখ করতে চান তিনি।
জাতীয় দলের ক্যাম্পে ছিলেন ইংল্যান্ড প্রবাসী ফুটবলার কিউবা মিচেল। বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি বাংলাদেশ ছেড়েছেন। কিউবাকে ২-৩ দিনের জন্য অনুশীলনে দেখতে চান ডুলি। কিন্তু তাকে নাকি নিজ খরচে আসতে হবে। জাতীয় দলে খেলা ফুটবলার কেন নিজ খরচে এসে আবার পরীক্ষা দেবেন এই প্রশ্ন উঠেছে ফুটবল অঙ্গনে। এনিয়ে ডুলি অন্যরকম উত্তর দিয়েছেন, ‘এখানে আমি কোনো সমস্যা দেখছি না। যিনি আবার জাতীয় দলে ফিরতে চান, তাকে সবার সামনে এসে নতুন কোচিং স্টাফের সামনে পরীক্ষা দিতে হবে। তাকে প্রমাণ করতে যে তিনি অন্যদের চেয়ে ভালো এবং তিনি যদি ভালো করেন এবং দলে নেওয়া হয়, তখন তার ফ্লাইটের খরচ ফেডারেশন দিয়ে দেবে।’
কিউবার পাশাপাশি গোলরক্ষক সাইফ, সুকি ইতফকা এবং অ-২০ দলে এই মুহূর্তে থাকা অ্যাডাম আব্বাস এবং জিদানও জাতীয় দলের সঙ্গে ২-৩ দিন অনুশীলনের সুযোগ পাবেন। সেই অনুশীলনে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে কোচ তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। প্রবাসী ফুটবলারদের জন্য সেপ্টেম্বরে আলাদা ট্রায়ালের ব্যবস্থা করার কথা শোনা গেলেও সেখান থেকে সরে এসে এখন প্রাথমিক স্কোয়াডের সঙ্গেই পরীক্ষামূলক অনুশীলন চলতে পারে।
কিউবা নিজ থেকে বাংলাদেশ দলে খেলতে চেয়েছেন নাকি কোচ তাকে দেখতে চেয়েছে বিষয়টি পরিষ্কার নয়। যদি কোচ কিংবা ফেডারেশন চেয়ে থাকে, তাহলে কিউবার নিজ খরচে আসাটা প্রশ্নবিদ্ধ আলোচনাই। আবার কিউবার আগ্রহের প্রেক্ষিতে যদি কোচ সুযোগ দিয়ে থাকেন ট্রায়ালে, তাহলে এমন প্রশ্নও উঠতে পারে যে, জাতীয় দলের ক্যাম্প কি পরীক্ষাক্ষেত্র?
এজেড/এফএইচএম
