নিউক্যাসল ইউনাইটেডের মাঠে ঘাম ছুটেছিল লিভারপুলের। ইনজুরি টাইমে গোল করে হার এড়ায় তারা। অ্যানফিল্ডে শনিবার নটিংহ্যাম ফরেস্টের বিপক্ষে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে দ্বিতীয় ম্যাচেও তারা কোনোরকমে হার ঠেকাল। দুইবার পিছিয়ে পড়েও টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে ২-২ গোলের ড্র করল লিভারপুল।
আন্দোনি ইরাওলার অস্বস্তি বাড়ছে। রেডদের প্রধান কোচ হিসেবে এখনও প্রথম জয়ের খোঁজে তিনি। ড্যান এন্দোয়ে গোল করে প্রথমার্ধে অতিথিদের এগিয়ে দেন। এক ঘণ্টার মাথায় আলেক্সান্দার আইসাক সমতা ফেরান।
গোলকিপারের ফাউলে পেনাল্টি পায় নটিংহ্যাম। মর্গান গিবস-হোয়াইট পেনাল্টি থেকে গোল করলে এই ভেন্যুতে টানা তৃতীয় জয়ের সুবাস পেতে শুরু করেছিল তারা। কিন্তু ৩ কোটি ৪৫ লাখ পাউন্ডের গ্রীষ্মকালীন চুক্তি ভিক্টর মুনোজ লিভারপুলকে স্বস্তি এনে দেন। ঘরের মাঠে অভিষেকে তিনি নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ৮ মিনিট আগে গোল করেন।

প্রথমার্ধে ছন্দ ফিরে পেতে বেশ ভুগেছে লিভারপুল। তার মাশুল গুনতে হয়েছে শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে। ২৪তম মিনিটে এন্দোয়ে করেন গোল। তারপর ফরেস্ট নিচের দিকে রক্ষণ মজবুত করে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে স্বাগতিকদের সমস্যায় ফেলতে থাকে।
বিরতির আগেই লিভারপুল ভেবেছিল, তারা সমতা ফিরিয়েছে। কিন্তু ভিএআর রিভিউয়ে ফ্লোরিয়ান উইর্টজের গোলটি বাতিল হয়। সেটি বিল্ডআপের সময় জেরেমি ফ্রিমপং অফসাইডে ছিলেন। আলেক্সান্দার আইসাক শেষ পর্যন্ত স্বাগতিকদের লড়াইয়ে ফেরান। কডি গাকপো দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের মধ্যে বল বাড়ান। ৬০ মিনিটে সুইডিশ স্ট্রাইকার সহজেই খুব কাছ থেকে জাল কাঁপান।

১০ মিনিট পর নাটকীয়ভাবে ফরেস্ট এগিয়ে যায়। নিকো উইলিয়ামসের আক্রমণ ঠেকাতে তাকে পেনাল্টি অঞ্চলে ফাউল করেন আলিসন। রেফারি দ্রুত পেনাল্টি স্পটের দিকে ইঙ্গিত করেন। গিবস-হোয়াইট আলিসনকে ভুল দিকে পাঠিয়ে বাঁ পাশের কোনা দিয়ে জালে বল জড়ান।
সময় যত এগোচ্ছিল, স্বাগতিক দর্শকের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছিল। এমন সময়ে মুনোজ চমৎকার একক প্রচেষ্টায় সমতা ফেরান। উইর্টজ ৮২তম মিনিটে জায়গা খুঁজে পেয়ে ডানপাশ দিয়ে তার সতীর্থের কাছে বল পাঠান। একবার বল পায়ে নিয়ে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে ড্রাইভ শটে গোলকিপার মাৎজ সেলসকে পরাস্ত করেন। সেই গোলে নিশ্চিত হয় লিভারপুল খালি হাতে মাঠ ছাড়ছে না।
এফএইচএম
