বিজ্ঞাপন

অস্ট্রেলিয়া সফরে ছন্দময় রুবেল-আরিফুল, টুর্নামেন্টজুড়ে ‘ফ্লপ’ যারা

অস্ট্রেলিয়া সফরে ছন্দময় রুবেল-আরিফুল, টুর্নামেন্টজুড়ে ‘ফ্লপ’ যারা

জাতীয় দলের খুব কাছে থাকা কিংবা রাডারে থাকা ক্রিকেটারদের নিয়েই টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি খেলতে গিয়েছিল বাংলাদেশ এইচপি। শিরোপার আশা জাগিয়েও সেমিফাইনালেই তাদের দৌড় থেমেছে। ফাইনালে না উঠলেও পুরো আসরে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন, একইসঙ্গে হতাশ করেছেন কয়েকজন ক্রিকেটার।

‘রহস্য স্পিনার’ মোহাম্মদ রুবেল বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে আসরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়েছেন। দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা সাব্বির রহমানও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ব্যাট হাতে রান পেয়েছেন। নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন আরিফুল ইসলামও।

জাতীয় দলে টানা ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ে সিরিজে টি-টোয়েন্টি দল থেকে বাদ পড়েন শামীম পাটোয়ারি। তার আগে জাতীয় দলের জার্সিতে শেষ ১০ ম্যাচে মাত্র দুটি ত্রিশোর্ধ ইনিংস ছিল তার। এরপর টপ এন্ডে সুযোগ পেয়ে রানে ফেরা তো দূরের কথা, শামীম পুরো টুর্নামেন্টেই ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। ব্যাট হাতে ৭ ম্যাচে এক ফিফটিতে ১০৭ রান করেছেন তিনি। ছন্দে ফেরার বদলে যেন আরও রানখরায় ডুবলেন বাঁ-হাতি এই ব্যাটার।

জিসান আলম ও হাবিবুর রহমান সোহানও টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে ব্যর্থ হয়েছেন। ৬ ম্যাচে ১০২ রান করেছেন জিসান, আর সব ম্যাচ খেলা সোহানের ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ৮৫ রান। এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অধিনায়কত্ব করেছেন ইরফান শুক্কুর। ৬ ইনিংস ব্যাটিং করে মাত্র ৭২ রান করেছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ৬ ম্যাচের ৪টিতেই এক অঙ্কের ঘরে আউট হয়েছেন তিনি। 

এর আগে দুইবার টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট খেলেছে বাংলাদেশ। একবার প্রথম রাউন্ডেই বাদ পড়েছে, আরেকবার রানার্সআপ হয়েছে। এবার দেশ ছাড়ার আগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথা বলেছিলেন শুক্কুর। কিন্তু নেতৃত্ব কাঁধে নিয়ে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সেই ছিলেন ম্লান হয়ে।

এসএইচ/এএইচএস