বিজ্ঞাপন

মেসির প্রশংসা করতে গিয়ে কোচ বললেন, ‘ভাষা হারিয়ে ফেলেছি’

মেসির প্রশংসা করতে গিয়ে কোচ বললেন, ‘ভাষা হারিয়ে ফেলেছি’

ডাগআউটে দাঁড়িয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করতে হয়নি। ম্যাচের মাঝপথে কৌশল বদলানো কিংবা কখন কাকে বদলি নামাবেন—এসব নিয়েও ভাবতে হয়নি। গিয়ের্মো ওশোর কাজটা সেদিন ছিল অন্য রকম। ইন্টার মায়ামির ভারপ্রাপ্ত কোচ ছিলেন কেবলই একজন দর্শক।

আর সেই সুযোগে মন ভরে লিওনেল মেসির খেলা দেখেছেন তিনি। যা দেখেছেন, যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন, সেটি ম্যাচ শেষে ভাষায় প্রকাশ করতে গিয়ে যেন শব্দই খুঁজে পাচ্ছিলেন না ওশো।

সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে একাধিকবার মেজর লিগ সকারের ‘লেট কিকঅফ পলিসি’ ভাঙার কারণে সিএফ মন্ট্রিয়লের বিপক্ষে ম্যাচে নিষিদ্ধ ছিলেন ইন্টার মায়ামির ভারপ্রাপ্ত কোচ। তাই ডাগআউটের বদলে বসেছিলেন বক্সে। সেখান থেকেই দেখেছেন তার দল কীভাবে প্রতিপক্ষকে রীতিমতো ছেলেখেলা করে হারিয়েছে।

স্কোরলাইনটাই বলে দিচ্ছে ম্যাচটির গল্প—৭-১ গোলে জিতেছে ইন্টার মায়ামি। আর সেই জয়ের নায়ক মেসি। একাই করেছেন চার গোল। এর দুটি ফ্রি-কিক থেকে। আরেকটি গোল এসেছে তিন খেলোয়াড়কে কাটিয়ে তার চেনা মোহনীয় দক্ষতায়। সঙ্গে ছিল আরও একটি গোলে সহায়তা।

৩৯ বছর বয়সেও মেসির এমন পারফরম্যান্স যেন পুরোনো প্রশ্নেরই নতুন উত্তর। বয়স বাড়ছে, ক্যারিয়ারের গোধূলি এগিয়ে আসছে—তবু মাঠে নামলেই তিনি কীভাবে আবারও সবাইকে চমকে দেন, মন্ট্রিয়লের বিপক্ষে ম্যাচটিও তার আরেকটি উদাহরণ।

ম্যাচ শেষে তাই মেসির ফুটবলীয় সৌন্দর্য বর্ণনা করতে গিয়ে ভাষা হারিয়ে ফেলেন ইন্টার মায়ামির ভারপ্রাপ্ত কোচ, ‘এমন ফুটবলীয় সৌন্দর্য বর্ণনা করার মতো ভাষা নেই। এত কিছু হয়েছে যে, শব্দ দিয়ে বোঝানো কঠিন।’

এরপর মেসির মানসিকতা বোঝাতে গিয়ে ওশো বলেন, ‘ক্রমাগত সেই গোল, সেই খেলা, সেই পাসটির সন্ধানে থাকে সে। আমার মনে হয় না সে সাধারণ কোনো ফুটবলার। ফুটবলার এবং ব্যক্তি হিসেবে তাকে বিশ্লেষণ করতে গেলে এত গভীরে যেতে হয় যে, ভাষা ফুরিয়ে যায়।’

এইচজেএস