বিজ্ঞাপন

ইনফান্তিনোকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে, বললেন প্লাতিনি

ইনফান্তিনোকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে, বললেন প্লাতিনি

বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কাঁপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্তের জেরে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে পদত্যাগ করতে বললেন ফরাসি ফুটবল গ্রেট মিচেল প্লাতিনি।

বিশ্বকাপসহ সব প্রতিযোগিতার অংশীদারত্ব বেসরকারি কোম্পানির কাছে বিক্রির প্রস্তাবনা তুলেছিলেন ইনফান্তিনো। উয়েফাসহ একাধিক ফুটবল সংস্থার তীব্র বিরোধিতার মুখে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে এলেও তোপের মুখে ৫৬ বছর বয়সী সুইস-ইতালিয়ান প্রশাসক। এছাড়া গত মাসে শেষ হওয়া বিশ্বকাপ চলাকালেও নানান বিতর্কিত সিদ্ধান্তে সমর্থন হারাতে শুরু করেছেন তিনি।

এবার উয়েফার সাবেক প্রধান প্লাতিনির কাছ থেকে ধেয়ে এলো সমালোচনার তীর। ক্যানাল-কে তিনি বলেছেন, ‘অর্থনৈতিক বিষয় এক জিনিস, কিন্তু ইনফান্তিনো ব্যর্থ হয়েছেন কারণ তিনি ফুটবলের নিয়মের একজন রক্ষক এবং সেগুলোকে সম্মান করেননি।’

এছাড়া বিশ্বকাপ চলাকালে হাইড্রেশন ব্রেক এবং ফাইনালে ৩০ মিনিটের হাফটাইম বিরতিরও সমালোচনা করেছেন প্লাতিনি, ‘বিজ্ঞাপন বিরতি কোনো নিয়ম নয়, ফাইনালে ৩০ মিনিটের হাফটাইম বিরতিও নিয়মের মধ্যে পড়ে না। আর সেই লাল কার্ড, সেটা ছিল আরও বাজে বিষয়।’

তিনি যোগ করেন, ‘তিনি রক্ষক (নিয়মের), যেগুলোকে তিনি পাত্তা দেন না, তাকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে।’

ইনফান্তিনোকে অর্থ ও ক্ষমতালোভীও বলতে দ্বিধা করেননি প্লাতিনি, ‘ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানগুলো এই সমস্যার সমাধান করে তাকে নিচে নামাতে পারবে না। উয়েফা যদি তার বিদায় চায়, তাহলে সেটা করতে হবে আদালতের মাধ্যমে। আমি সবসময় জানতাম তিনি অর্থ ও ক্ষমতা ভালোবাসতেন।

২০১৫ সালে প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিলেন প্লাতিনি। ওই সময় তিনি উয়েফার প্রেসিডেন্ট ছিলেন। সেপ ব্লাটারের উত্তরসূরি হিসেবে ফিফার প্রধানের দায়িত্বে চোখ ছিল তার। ফরাসি গ্রেটকে অবৈধভাবে ২ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল ব্লাটারের বিরুদ্ধে। 

২০২৫ সালে প্লাতিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও ওইসময় পদত্যাগ করেন। ইনফান্তিনো সেই সুযোগে ২০১৬ সালে ফিফা প্রেসিডেন্ট হন। প্লাতিনি বললেন, ‘তিনি আমাকে নামাননি, বরং লাভবান হয়েছেন। কিন্তু এখন তাকে নিয়ে সারা বিশ্বে অনেক তদন্ত চলছে। গুঞ্জন রয়েছে কীভাবে তিনি নির্দিষ্ট বিষয়ে এতকিছু জানতেন। দেখা যাক এরপর কী হয়।’

এফএইচএম

বিজ্ঞাপন