প্রতি বছর নির্দিষ্ট একটা সময়ে মাঠে গড়ায় এনসিএল টি-টোয়েন্টি। গেল কয়েক আসরে এই প্রতিযোগিতা থেকে উঠে এসেছে একাধিক ক্রিকেটার। যে কারণে দেশের উঠতি ক্রিকেটারদের কাছেও এই টুর্নামেন্টের গুরুত্বটা বেশ।
এদিকে চলতি বছর মাঠে গড়াচ্ছে না বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় এই টুর্নামেন্ট এক বছর বিরতি দিয়ে পরের বছর আরও গোছালোভাবে আয়োজন করতে চায় বিসিবি।
যে কারণে এনসিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট জমকালোভাবে করতে চায় বিবিবি। তবে সেক্ষেত্রে এনসিএল টি-টোয়েন্টির বদলে অন্য নামে আয়োজন করার পরিকল্পনা বোর্ডের।
এনসিএলের নামে থাকছে না কোনো টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট, নতুন নামের খোঁজে বিসিবি। সেক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নামে এই টুর্নামেন্ট হতে পারে!
বিসিবির একজন পরিচালক ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন, এনসিএলের নামে থাকছে না কোনো টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট, নতুন নামের খোঁজে বিসিবি। সেক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নামে এই টুর্নামেন্ট হতে পারে!
এই টুর্নামেন্টে থাকবে না কোনো বিভাগ ভিত্তিক দল। ৬টি দল থাকবে তবে সেটা যে প্রতিষ্ঠান ক্রয় করবে, তারা তাদের পছন্দমতো নাম দিতে পারবে। তবে চারদিনের এনসিএলে থাকবে বিভাগভিত্তিক দল। ইতোমধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এনসিএল চারদিন, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টির সব চুক্তিও সেরে ফেলেছে বিসিবি, এমনটি জানা গিয়েছে।
এই তিন টুর্নামেন্ট করতে খেলোয়াড়দের জন্য পেমেন্ট বাবদ খরচ হতো প্রায় ২৫ কোটি টাকা। সেক্ষেত্রে ৬ ফ্রাঞ্চাইজি থেকে ১৫ কোটি টাকার মতো স্পন্সর পেতে পারে বিসিবি। স্পন্সর প্রতিষ্ঠান দল নিলেও লজিস্টিক আর্থিক খাতসহ সব দেখভাল করবে বিসিবি।
টুর্নামেন্টটি ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে। তার আগে ড্রাফট অনুষ্ঠিত হবে, প্রথম বছরে থাকবে না কোনো বিদেশি ক্রিকেটার। তবে দ্বিতীয় আসরে ভিনদেশি ক্রিকেটারের দেখা মিলতে পারে।
এসএইচ/এফআই
