বিজ্ঞাপন

প্রিমিয়ার লিগে সপ্তাহের সেরা একাদশে জায়গা পেলেন যারা

প্রিমিয়ার লিগে সপ্তাহের সেরা একাদশে জায়গা পেলেন যারা

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে দেখা গেছে দারুণ কিছু পারফরম্যান্স। এই রাউন্ডের পারফরম্যান্স বিবেচনায় প্রিমিয়ার লিগের সেরা একাদশ সাজানো হয়েছে। যেখানে জায়গা করে নিয়েছেন তারকাদের পাশাপাশি একাধিক তরুণ খেলোয়াড়ও।

গোলকিপার: কনস্তান্তিনোস জোলাকিস — হাল সিটি

মৌসুমের শুরুটা স্বপ্নের মতো কাটছে হাল সিটি ও তাদের নতুন গোলকিপার জোলাকিসের। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ক্লিন শিট রাখার পথে তাইও আওনিইয়ের নিচু শট দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে ম্যাচের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত তৈরি করেন গ্রিক গোলকিপার।

রাইট-ব্যাক: আমার দেদিচ — নিউক্যাসল ইউনাইটেড

নিউক্যাসলের হয়ে দারুণ শুরু দেদিচের। লিগ কাপের ম্যাচে দুটি অ্যাসিস্টের পর টটেনহ্যামের বিপক্ষেও ছিলেন দুর্দান্ত। আক্রমণে তার দারুণ দৌড় থেকেই অ্যান্থনি এলাঙ্গার গোলের সুযোগ তৈরি হয়। রক্ষণেও পাঁচটি ক্লিয়ারেন্স, পাঁচটি রিকভারি ও পাঁচটির মধ্যে চারটি গ্রাউন্ড ডুয়েল জিতেছেন তিনি।

সেন্টার-ব্যাক: নর্দি মুকিয়েলে — ফুলহাম

সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ে রক্ষণে বড় ভূমিকা রেখেছেন মুকিয়েলে। ফরাসি এই ডিফেন্ডার একাই করেছেন ১৪টি ক্লিয়ারেন্স। পাশাপাশি জিতেছেন সবগুলো গ্রাউন্ড ডুয়েল, যার ফলে ম্যাচে ক্লিন শিটও পেয়েছে তার দল।

সেন্টার-ব্যাক: মার্ক গুয়েহি — ক্রিস্টাল প্যালেস

সেন্টার-ব্যাক পজিশনে ফিরে নিজেকে মেলে ধরেছেন গুয়েহি। ম্যাচে সর্বোচ্চ ১২৪টি টাচ নেওয়ার পাশাপাশি পাসিংয়েও ছিলেন দুর্দান্ত—সফল পাসের হার ৯৮.২ শতাংশ। লম্বা পাসে ৮টির মধ্যে ৭টি সফল এবং তিনটি অ্যারিয়াল ডুয়েলের তিনটিই জিতেছেন তিনি।

লেফট-ব্যাক: নেকো উইলিয়ামস — নটিংহ্যাম ফরেস্ট

অ্যানফিল্ডে সাবেক ক্লাব লিভারপুলের বিপক্ষে দুর্দান্ত খেলেছেন উইলিয়ামস। ম্যাচে ডুয়েল জয়, ট্যাকল ও তৈরি করা সুযোগ—তিন বিভাগেই ছিলেন সবার ওপরে। ফ্লোরিয়ান ভির্টজের নিশ্চিত গোল ঠেকানোর পর তার দারুণ দৌড় থেকেই পেনাল্টি পায় ফরেস্ট।

সেন্ট্রাল মিডফিল্ড: নিকো গনজালেস — নিউক্যাসল ইউনাইটেড

নিউক্যাসলের হয়ে অভিষেকেই নজর কেড়েছেন গনজালেস। সাবেক নিউক্যাসল তারকা সান্দ্রো তোনালির সঙ্গে লড়াইয়ে এগিয়ে ছিলেন তিনি। বিশেষ করে দূরপাল্লার পাসিংয়ে তার দক্ষতা ছিল চোখে পড়ার মতো। এলাঙ্গার গোলের আগে তার দুর্দান্ত ক্রস-ফিল্ড পাসটি ছিল ম্যাচের অন্যতম সেরা মুহূর্ত।

সেন্ট্রাল মিডফিল্ড: ব্রুনো ফার্নান্দেজ — ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

সদ্য পিএফএ বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতা পর্তুগিজ তারকা ইপসউইচ টাউনের বিপক্ষে ৫-২ গোলের জয়ে করেছেন হ্যাটট্রিক। দলের হয়ে সমতা ফেরানোর পর পেনাল্টি থেকে গোল এবং শেষ দিকে আরও একটি গোল করে ম্যাচের নায়ক হন তিনি।

রাইট-উইং: অ্যান্থনি এলাঙ্গা — নিউক্যাসল ইউনাইটেড

ম্যাটিয়াস ইয়াইসলের অধীনে যেন নতুন জীবন পেয়েছেন এলাঙ্গা। নিউক্যাসলের হয়ে লিগে নিজের প্রথম মৌসুমে গোল না পেলেও এবার শুরুতেই বদলে গেছেন। টটেনহ্যামের বিপক্ষে গোল করে ২০০৩-০৪ মৌসুমে অ্যালান শিয়ারের পর নিউক্যাসলের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে মৌসুমের প্রথম দুই লিগ ম্যাচেই গোলের কীর্তি গড়েছেন।

লেফট-উইং: রায়ান শেরকি — ম্যানচেস্টার সিটি

শেরকির খেলা দেখার মতোই ছিল। ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে দারুণ পারফরম্যান্সে জোড়া গোল করেছেন ফরাসি এই তারকা। প্রথম গোলটিতে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে তার দুর্দান্ত ড্রিবলিং এবং এরপর ঠান্ডা মাথার ফিনিশিং ছিল চোখে পড়ার মতো।

সেন্টার-ফরোয়ার্ড: জোয়াও পেদ্রো — চেলসি

ব্রাইটনের বিপক্ষে দুর্দান্ত লড়াই করে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোল করেছেন তিনি। প্রতিপক্ষের বক্সে সর্বোচ্চ টাচ ও সবচেয়ে বেশি ডুয়েল জয়ের পাশাপাশি কোল পামারের গোলেও অ্যাসিস্ট করেছেন।

সেন্টার-ফরোয়ার্ড: আর্লিং হালান্ড — ম্যানচেস্টার সিটি

মৌসুমে নিজের গোলের খাতা খুলেছেন হালান্ড। ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে সিটির ৪-১ গোলের জয়ে করেছেন জোড়া গোল। প্রথমটি হেডে, এরপর ম্যাচের চতুর্থ গোলটি করেন শক্তিশালী ফিনিশিংয়ে। ফলে গোল্ডেন বুটের দৌড়েও শুরুতেই নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার।

এইচজেএস