বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক অবসরের পর মেসির সামনে কী কী চ্যালেঞ্জ?

আন্তর্জাতিক অবসরের পর মেসির সামনে কী কী চ্যালেঞ্জ?

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সঙ্গে আর খেলবেন না লিওনেল মেসি। গত সোমবার আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। এর মানে এই নয় যে, তিনি ফুটবলকে বিদায় বলেছেন।

২০২২ সালের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ইন্টার মায়ামির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে খেলে যাবেন এবং বর্তমানে দারুণ ফর্মে থেকে বুঝিয়ে দিয়েছেন, মাঠে তার দেওয়ার এখনও অনেক বাকি আছে। গত শনিবার আমেরিকা দলের জন্য একাই করেছেন চার গোল। এমএলএসে ১৮ গোল করে এখন তিনি শীর্ষ গোলদাতা।

৩৯ বছর বয়সেও তার পারফরম্যান্স খেলার নৈপুণ্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তার ভবিষ্যৎ ক্রমশ নির্ভর করবে তার অনুভূতি, আকাঙ্ক্ষা ও আড়ালে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেন তার ওপর।

মায়ামির সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, মেসি থাকবেন ২০২৮ সালের শেষ পর্যন্ত। মানে ২০২৭-২৮ এমএলএস মৌসুমেও খেলবেন। যদি তারা কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস লিগের পরবর্তী আসরে খেলার যোগ্যতা লাভ করে, সেখানেও মেসি চাইবেন তার শিরোপা খরা কাটাতে।

কিন্তু চুক্তি হলেই যে তিনি শেষ দিন পর্যন্ত খেলে যাবেন তা নয়। পেশাদার ক্যারিয়ারের ইতি কখন টানবেন, সেটা তারই ভালো জানার কথা। আগেভাগেই অবসর নিলেও ক্লাবটি তাকে তাদের প্রতিষ্ঠানে অন্য কোনো দায়িত্ব দিয়ে রেখে দেওয়ার কথা ভাবছে। মানে মাঠ থেকে বিদায় নিলেও আমেরিকান ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ হবে না। 

শুধু মায়ামি প্রকল্পই নয়, আরও নানান প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলে নিজের উপস্থিতি জানাচ্ছেন মেসি। এই বছর স্প্যানিশ তৃতীয় বিভাগের দল ইউনিয়ন এস্পোর্তিভো কর্নেলার মালিকানা কিনেছেন তিনি। 

এছাড়া লিওনেস এফসির পারিবারিক প্রকল্প ও উরুগুয়ের এলএসএমে লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে তার সংযুক্তিও রয়েছে। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সঙ্গে ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেও ফুটবলের মেসির সামনে এখনও কয়েকটি পথ খোলা আছে। খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার শেষ করার সিদ্ধান্ত তিনি কখন নেবেন, তা অজানা। কিন্তু সবকিছু থেকে পরিষ্কার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, অবসরের পরও ফুটবলের সঙ্গে তার সম্পর্ক দীর্ঘই হতে চলেছে।

এফএইচএম