বিজ্ঞাপন

সাত ক্রিকেটার পরিবর্তন, দায় স্বীকার করলেন আকিব জাভেদ

সাত ক্রিকেটার পরিবর্তন, দায় স্বীকার করলেন আকিব জাভেদ

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান টেস্ট সিরিজে টানা দুই হারের পর পাকিস্তান ক্রিকেট দলে বড় ধরণের ওলটপালট শুরু হয়েছে। এক ম্যাচ আগেই হার নিশ্চিত হওয়ায় তৃতীয় টেস্টের আগেই দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে ৭ ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফের প্রধান সদস্যদের। পুরো ঘটনার দায় স্বীকার করেন জাতীয় দলের নির্বাচক কমিটির সদস্য আকিব জাভেদ।

প্রথম দুই টেস্টে ব্যর্থতার দায় নিয়ে দল থেকে একযোগে বাদ দেওয়া হয়েছে মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম-উল-হক, সালমান আলী আগা, আলী উসমান, আমির জামাল, মুহাম্মদ আওয়েস জাফর এবং খুররম শাহজাদকে।

বার্মিংহামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া তৃতীয় টেস্টের দলে নতুন করে ডাক পেয়েছেন সাইম আইয়ুব, আবদুল্লাহ ফজল, আরাফাত মিনহাস, মোহাম্মদ ইমরান জুনিয়র, সাদ বেগ, মোহাম্মদ ইমরান এবং রেজাউল্লাহ।

প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ এবং বোলিং কোচ ওমর গুলকে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সাদা বলের প্রধান কোচ মাইক হেসন এবং অ্যাশলে নোফকে সাময়িকভাবে লাল বলের দলের দায়িত্ব সামলাবেন।

জিও নিউজের এক অনুষ্ঠানে আকিব জাভেদ নির্বাচক কমিটির হয়ে দায় স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘মেধার ভিত্তিতে ১৭ জনের দল গঠন করা নির্বাচকদের কাজ। তবে কোন ম্যাচে কোন একাদশ মাঠে নামবে, সেই মূল সিদ্ধান্তটি ছিল অধিনায়ক এবং প্রধান কোচের।’

তারকা খেলোয়াড়দের বারবার ব্যর্থতায় কঠোর সিদ্ধান্তের বিকল্প ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সিরিজ যখন ইতোমধ্যেই হাতছাড়া হয়ে গেছে, তখন নতুনদের সুযোগ দিয়ে পাকিস্তান যে প্রতিভা তৈরি করছে তা বিশ্বকে দেখানোর এখনই উপযুক্ত সময়।’

পেশির টানের কারণে ইমাম-উল-হকের পুরো টেস্টে ব্যাটিং করতে না পারাকে বড় প্রশ্নবোধক চিহ্ন হিসেবে দেখছেন আকিব। এর বিরুদ্ধে পিসিবি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে সতর্ক করেন তিনি।

জেসন গিলেস্পির তোলা অভিযোগ সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করে আকিব জানান, তার জাতীয় দলের প্রধান কোচ হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই এবং তিনি কেবল পিসিবির নির্দেশে সাময়িক দায়িত্ব পালন করছেন।

দল নির্বাচনের কারণ ব্যাখ্যা করতে পিসিবি নির্বাচক কমিটির সদস্য আকিব জাভেদ, মিসবাহ-উল-হক এবং আসাদ শফিককে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ জারি করেছে। এই টানাপোড়েনের মধ্যেই সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হক নির্বাচক কমিটি থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

এমএমএম/