টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাদের অবদান যেন একেকটি আলাদা অধ্যায়। ব্যাটে-বলে দীর্ঘদিন বিশ্বজুড়ে নিজেদের ছাপ রেখেছেন ড্রোয়াইন ব্রাভো, কাইরন পোলার্ড ও সুনীল নারিন। এবার নিজেদের শহর পোর্ট অব স্পেনের ঐতিহাসিক কুইন্স পার্ক ওভালে পেলেন আরও বড় স্বীকৃতি। স্টেডিয়ামটির একটি স্ট্যান্ডের নামকরণ করা হয়েছে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর এই তিন টি-টোয়েন্টি তারকার নামে।
আগে ‘ত্রিনি পোসি স্ট্যান্ড’ নামে পরিচিত স্ট্যান্ডটির নতুন নাম ‘ব্রাভো, পোলার্ড, নারিন স্ট্যান্ড’। ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর ৬৪তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয় নতুন নাম।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের উত্থান ও বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তায় এই তিন ক্রিকেটারের অবদান অনস্বীকার্য। বিশেষ করে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে দীর্ঘ পথচলায় তারা হয়ে উঠেছেন এই সংস্করণের অন্যতম পরিচিত মুখ।
পেস বোলিং অলরাউন্ডার ড্রোয়াইন ব্রাভো ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ৫৮২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে। এই সময়ে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৬ হাজার ৯৭০ রান, আর বল হাতে নিয়েছেন ৬৩১ উইকেট। টি-টোয়েন্টির ইতিহাসের অন্যতম সফল অলরাউন্ডার হিসেবে তাই তার নামটি আলাদা করে উচ্চারিত হয়।
পোলার্ডের গল্প আরও দীর্ঘ। এখনও টি-টোয়েন্টিতে সক্রিয় এই অলরাউন্ডার ৭৫১ ম্যাচে করেছেন ১৪ হাজার ৯৩৩ রান, সঙ্গে নিয়েছেন ৩৪১ উইকেট। বিশ্বের প্রায় সব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেই দীর্ঘদিন ধরে তার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
আর বল হাতে সুনীল নারিনও গড়েছেন অনন্য কীর্তি। সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় বোলার হিসেবে ৬৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি। ৬১৪ ম্যাচ খেলা এই রহস্যময় স্পিনার আবার ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) ইতিহাসের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।
কাকতালীয়ভাবে চলমান সিপিএলেও একই দলের সঙ্গে যুক্ত তিনজন। ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলছেন কাইরন পোলার্ড ও সুনীল নারিন। আর ড্রোয়াইন ব্রাভো আছেন ফ্র্যাঞ্চাইজিটির কোচিং স্টাফে।
কুইন্স পার্ক ওভালে অবশ্য তারকাদের নামে জায়গা করে নেওয়ার ঐতিহ্য নতুন নয়। স্টেডিয়ামটির বিভিন্ন অংশে এরই মধ্যে জায়গা পেয়েছেন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর আরও কয়েকজন কিংবদন্তি। সেখানে রয়েছে ব্রায়ান লারা প্যাভিলিয়ন, ডেরিক মারে প্লেয়ার্স গ্যালারি, জেফরি স্টলমেয়ার স্ট্যান্ড ও লিয়ারি কনস্ট্যানটাইন স্ট্যান্ড।
এইচজেএস
