বিজ্ঞাপন

দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার মুখে ইমাম, শাস্তি পেতে পারেন রিজওয়ানও!

দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার মুখে ইমাম, শাস্তি পেতে পারেন রিজওয়ানও!

একটি চোট, তারপর থেকেই প্রশ্ন। সেই প্রশ্ন এবার গড়াচ্ছে তদন্ত পর্যন্ত। লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে পাওয়া ইমাম-উল-হকের কাফ ইনজুরি নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেটে তৈরি হওয়া বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও সুপার-এর দাবি, ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করতে যাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে এক থেকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার মতো কঠোর শাস্তির মুখেও পড়তে পারেন পাকিস্তানের এই ব্যাটার।

ইমামের পাশাপাশি শাস্তির আলোচনায় এসেছে মোহাম্মদ রিজওয়ানের নামও। জিও সুপারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইকেটকিপার ব্যাটারের শৃঙ্খলাজনিত বিষয়েও কঠোর অবস্থানে রয়েছে পিসিবি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। এমনকি অদূর ভবিষ্যতে পাকিস্তানের কোনো স্কোয়াডে রিজওয়ানের জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনাও কম বলে দাবি করেছে সংবাদমাধ্যমটি।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টেস্টের আগে পাকিস্তানের টেস্ট স্কোয়াডে বড় রদবদল আনা হয়। সেই পরিবর্তনের অংশ হিসেবেই ইমাম ও রিজওয়ানকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন ফিল্ডিংয়ের সময় বাঁ পায়ের কাফে লো-গ্রেড স্ট্রেন ধরা পড়ে ইমামের। চোটের কারণে পরদিন পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামতে পারেননি তিনি।

ইংল্যান্ডের ২৯০ রানের জবাবে পাকিস্তানের ইনিংস থামে মাত্র ১১০ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাট হাতে দেখা যায়নি ইমামকে। ম্যাচ জিততে ৩৮৯ রানের লক্ষ্য পেয়েও পাকিস্তান অলআউট হয়ে যায় ১৯৪ রানে। তাতে ম্যাচের সঙ্গে সিরিজও হারায় সফরকারীরা।

এরপরই ইমামের চোট নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার উচ্চপর্যায়ের তদন্তে যাচ্ছে পিসিবি।

এইচজেএস