জুলাইতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে ভারত। সিরিজের শেষ ম্যাচটি দিয়ে রোহিত শর্মা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে পারেন বলে গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। চলতি বছরের শুরুতেও নাকি ইংল্যান্ড সফরে ভারতের নির্বাচক কমিটি রোহিতকে ‘ওয়ানডের পরিকল্পনায় না রাখার’ কথা জানিয়েছিল। যা শুনে ভারতীয় অধিনায়ক প্রথমে ক্ষুব্ধ হলেও মেনে নেন পরবর্তীতে।
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে যশস্বী জয়সওয়ালের মতো তরুণ ব্যাটারকে সুযোগ দেওয়াই ছিল ভারতীয় নির্বাচক প্যানেলের পরিকল্পনা। তবে রোহিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের হয়ে খেলে যেতে আগ্রহী ছিলেন। এ জন্য নিজের ফিটনেস নিয়েও কাজ করছিলেন তিনি।
এদিকে, সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, নির্বাচক প্যানেলের সিদ্ধান্তে রোহিত ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত অবশ্য তিনি সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেন। এরপরই গণমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে, ১৯ জুলাই লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে হতে পারে রোহিতের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন জায়গায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার পর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া সেই প্রতিবেদন অস্বীকার করেন।
সাইকিয়া তখন দাবি করেন, দলের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে যতদিন রোহিত থাকবেন, ততদিন ভারতের হয়ে খেলে যাবেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। তীব্র চাপ ও নানা জল্পনার মধ্যে ৩৯ বছর বয়সী রোহিত দুর্দান্ত একটি সেঞ্চুরি করে মাঠেই জবাব দেন। তার সেই ইনিংস আপাতত তার অবসর নিয়ে আলোচনাকে পেছনে ঠেলে দিয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।
— Cricbuzz (@cricbuzz) September 2, 2026
রোহিতের ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হওয়া নানা প্রতিবেদনের বিষয়ে এই অধিনায়কের প্রতিক্রিয়ার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে বিসিসিআই। সেখানে ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনাকে ‘শোরগোল’ হিসেবে উড়িয়ে দিয়ে রোহিত বলেন, ‘দেখুন, আমার কাজটা ব্যাট হাতে। এসে খেলব, দেশের প্রতিনিধিত্ব করব, দলের প্রতিনিধিত্ব করব। অভিষেকের পর থেকেই আমাকে এটাই করতে বলা হয়েছে। তাই আমি সেটাই করে যাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার অভিষেক হওয়ার সময় থেকেই এই শোরগোল ছিল। আর যতদিন এখানে থাকব, ততদিনও এটা চলতে থাকবে। তাই এসব আসলে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো মাঠে আমি কী করছি। দলের সাফল্যে অবদান রাখার চেষ্টা করাই আমার লক্ষ্য।’
এএইচএস
