বিজ্ঞাপন

যে কারণে আগ্রহের পরও চুয়ামেনিকে পায়নি ইউনাইটেড

যে কারণে আগ্রহের পরও চুয়ামেনিকে পায়নি ইউনাইটেড

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মাঝমাঠে বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল। ক্যাসেমিরোকে বিদায় জানানোর পর এমনিতেই সেখানে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। এর মধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপে ম্যানুয়েল উগার্তের চোট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। ফলে গ্রীষ্মের দলবদলে একজন মানসম্পন্ন মিডফিল্ডার খোঁজা হয়ে ওঠে ইউনাইটেডের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

এই দৌড়ে একসময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাম হয়ে উঠেছিলেন অরেলিয়েন চুয়ামেনি। রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরাসি মিডফিল্ডারকে বেশ কিছুদিন ধরেই নজরে রেখেছিল ইংলিশ ক্লাবটি। এমনকি এবারের গ্রীষ্মে তাকে ওল্ড ট্রাফোর্ডে আনার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই আলোচনা আর চূড়ান্ত রূপ পায়নি।

চুয়ামেনির বদলে ইউনাইটেড অবশ্য প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করা খেলোয়াড়দের ওপরই পুরোপুরি আস্থা রাখে। মাঝমাঠ শক্ত করতে আনা হয় আন্দ্রে সান্তোস, ইউরি তিলেমানস ও কার্লোস বালেবাকে। অন্যদিকে চুয়ামেনি থেকে যান সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতেই।

কেন থেমে গেল ইউনাইটেডের চুয়ামেনি অভিযান? দ্য সানের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে সেই কারণ। তাদের দাবি, চুয়ামেনিই ছিলেন ইউনাইটেডের অগ্রাধিকারভিত্তিক লক্ষ্য। তবে তাকে দলে আনলে বেতন কাঠামোয় বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে—এই আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত ক্লাবটিকে পিছিয়ে দেয়।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, রিয়াল মাদ্রিদের তারকার আগমন ইউনাইটেডের বিদ্যমান বেতন কাঠামোয় ভারসাম্যহীনতা তৈরি করতে পারত। অর্থাৎ শুধু ট্রান্সফার ফিই নয়, একজন তারকা খেলোয়াড়কে ঘিরে ভবিষ্যতের বেতন ও চুক্তির আর্থিক প্রভাবও বিবেচনায় নিতে হয়েছিল ইংলিশ ক্লাবটিকে।

চুয়ামেনিকে নিয়ে ইউনাইটেডের আগ্রহ অবশ্য অমূলক ছিল না। ক্যাসেমিরোর বিকল্প হিসেবে ২০২২ সালে তাকে রিয়াল মাদ্রিদে আনা হয়েছিল। এরপর স্প্যানিশ জায়ান্টদের মাঝমাঠে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ২৬ বছর বয়সী এই ফরাসি। জিতেছেন চ্যাম্পিয়নস লিগসহ একাধিক শিরোপাও।

গত মৌসুমেও রিয়ালের জার্সিতে নিয়মিত ছিলেন চুয়ামেনি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৯ ম্যাচে করেছেন ২ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট। রক্ষণভাগের সামনে থেকে খেলা, বল দখল ও মাঝমাঠের ভারসাম্য রক্ষায় তার সামর্থ্যই তাকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারদের কাতারে নিয়ে এসেছে।

এইচজেএস