দলবদলের বাজার বন্ধ হওয়ার দিনে চমক জাগানো ট্রান্সফার হয়েছে ম্যানসিটি ও চেলসির মধ্যে। ব্রিটিশ রেকর্ড ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডে চেলসি থেকে ম্যানসিটি কিনে নেয় এনজো ফার্নান্দেজকে। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে তার আসা নিয়ে ড্রেসিংরুমের ভেতরে একটা চাপা উত্তেজনা কাজ করছিল। সবাই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারের জন্য অধীর অপেক্ষায় ছিলেন।
ম্যানসিটির কোচ এনজো মারেস্কা জানান, তার নিজের খেলোয়াড়রাই এনজোকে আনতে স্কাউটের ভূমিকায় ছিলেন। মাঝেমধ্যেই তারা খোঁজ নিতে থাকেন যে, তাকে নেওয়া হবে কি না।
২০২২ বিশ্বকাপ জয়ীর সঙ্গে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে আগেও কাজ করেছেন মারেস্কা। ২৫ বছর বয়সী আর্জেন্টাইনকে তিনি ভালো করেই চিনতেন। তার নতুন ক্লাবের শিষ্যদের কাছেও সতীর্থ হিসেবে এনজো বেশ আকাঙ্ক্ষিত একজন হয়ে উঠেছিলেন।
শনিবার কভেন্ট্রি সিটির বিপক্ষে এনজোর সম্ভাব্য অভিষেক সামনে রেখে মারেস্কা ক্লাবের সিনিয়র খেলোয়াড়দের উত্তেজনা সম্পর্কে বললেন, ‘আমি শুধু বলছি সে একজন বিজয়ী এবং যখন আপনি একটি দলে থাকেন আর সেই দলে একজন বিজয়ী খেলোয়াড় আসে, তখন সবসময় তারা খুশি হয়। গত চার বা পাঁচ দিন ধরে স্কোয়াডের চার-পাঁচজন খেলোয়াড় জিজ্ঞাসা করছিল, সে আসছে নাকি আসছে না। কারণ তারা তাকে আমাদের সঙ্গে চায়। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে সে আমাদের সঙ্গে এবং আমরা এজন্য শতভাগ খুশি।’

নতুন করে সাজানো ম্যানসিটির মিডফিল্ডে ২৫ বছর বয়সী কী প্রভাব রাখতে পারেন, তা নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি নেই মারেস্কার। লন্ডনে তিনি তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন, যেখানে এনজো ১৭০ ম্যাচে খেলে ৩১ গোল ও ৩০ অ্যাসিস্টে ভূমিকা রেখেছেন ক্লাব বিশ্বকাপ ও কনফারেন্স লিগ জয়ে। সিটি কোচ বিশ্বাস করেন, একাধিক শিরোপার লড়াইয়ে থাকা একটি দলে সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মানসিকতা এই মিডফিল্ডারের আছে।
ইতিহাদের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে এনজো প্রস্তুত কি না প্রশ্নে কোচ বললেন, ‘আমি এনজোকে ভালো করে চিনি। আমি জানি সে দলে কী প্রভাব রাখতে পারে। সে একজন বিজয়ী, একজন বিজয়ীর মানসিকতা আছে তার এবং জানে কীভাবে বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের পরে জিততে হয়।’
এফএইচএম
