২০১১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনায় খেলেছেন। লিওনেল মেসির সঙ্গে তার সময় কেটেছে দারুণ। লা লিগায় প্রথমবার শুরুর একাদশে জায়গা পেয়ে আর্জেন্টাইনের থ্রু বলে করেন প্রথম গোল। কোপা দেল রের কোয়ার্টার ফাইনালৈ কাতালানদের জার্সিতে তার প্রথম হ্যাটট্রিকেও তিন গোলই বানিয়ে দেন মেসি। তার আন্তর্জাতিক অবসরের এক সপ্তাহ পার হতেই ফুটবলকে চিরতরে বিদায় বললেন ক্রিস্টিয়ান টেলো।
ছয় দেশে ৫১২ ম্যাচ খেলে ফুটবল থেকে অবসর নিলেন লা মাসিয়ার এই গ্র্যাজুয়েট। বার্সায় এক লা লিগাসহ তিনটি ট্রফি জিতেছে টেলো। বেতিসের সঙ্গে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় কোপা দেল রে ও লস অ্যাঞ্জেলস এফসির সঙ্গে এমএলএস কাপ ও সাপোর্টার্স শিল্ড জিতেছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের তৃতীয় স্তরের ক্লাব পাম সিটি এফসির সঙ্গে স্বল্প মেয়াদে খেলার কয়েকদিন পর অবসর নিলেন এই উইঙ্গার।
বার্সেলোনার জার্সিতে নিজের পরিচয় জানান দেওয়া টেলো পর্তুগালের পোর্তো, ইতালির ফিওরেন্তিনা ও স্বদেশী ক্লাব বেতিসে খেলেছেন। সবশেষ ক্লাব ছিল পাম সিটি, ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্ত হন। মাঝে সৌদি আরবের আল ফাতেহ ও আল ওবোরাহতে খেলেছেন। ফুটবল যাত্রায় নানান উত্থানপতনের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। আবেগঘন বিদায়ী বার্তায় পরিবার, সতীর্থ ও সমর্থকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমার জীবনের একটি অংশকে বিদায় বলার সময় আজ। অনেক বছর, অনেক ম্যাচ, অনেক ড্রেসিংরুম, অনেক আনন্দ ও কঠিন মুহূর্তের পর পেশাদার ফুটবলে ইতি টানার সময় হয়েছে। ফুটবল আমাকে সবকিছু দিয়েছে। যে স্বপ্নগুলো পূরণ অসম্ভব মনে হচ্ছিল, সেগুলোই বাস্তব হয়েছে। যাদের সঙ্গে দেখা হয়েছে তাদের আজীবন মনে থাকবে এবং যে অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার স্মৃতিতে অমলিন থেকে যাবে।’
তিনি বলেস, ‘আমি এমন কিছু জার্সি পরার সৌভাগ্য লাভ করেছি যা আমার কাছে সবকিছুর চেয়ে মূল্যবান এবং এই যাত্রাপথটি সতীর্থ, কোচ, ক্লাব কর্মকর্তা, বন্ধু এবং সর্বোপরি আমার পরিবারের সাথে ভাগ করে নিতে পেরেছি। পেশাদার ফুটবলার হিসেবে আমার সময় শেষ হয়েছে আজ। কিন্তু ফুটবল আমাকে যা শিখিয়েছে, তা আমার সঙ্গে থাকবে আজীবন। ফুটবল, তোমাকে ধন্যবাদ।’
এফএইচএম
