চেলসিতে থাকতে চাইছিলেন না এনজো ফার্নান্দেজ। বের হওয়ার পথ হিসেবে চোখ ছিল রিয়াল মাদ্রিদের দিকে। এমনকি স্প্যানিশ ক্লাবটিকে পাওয়ার সম্ভাবনাকে এতটাই গুরুত্ব দিয়েছিলেন যে, সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে যাওয়ার জন্য ‘যেকোনো মূল্যে’ চেষ্টা করতেও প্রস্তুত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু এনজোর সেই আগ্রহে সাড়া দেয়নি রিয়াল। আর শেষ পর্যন্ত সেই অনাগ্রহই খুলে দেয় ম্যানচেস্টার সিটির দরজা।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএসের দাবি, চেলসির হয়ে খেলা নিয়ে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারের সন্তুষ্টি ছিল না। দলবদলের শুরু থেকেই স্টামফোর্ড ব্রিজ ছাড়ার ইচ্ছা ছিল তার। সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদকেই তিনি বাস্তবসম্মত একটি সুযোগ মনে করেছিলেন।
রিয়ালের প্রতিও নিজের আগ্রহের কথা এনজো গোপন রাখেননি। বার্নাব্যুতে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তার আগ্রহ ছিল প্রবল। কিন্তু সমস্যা ছিল একটাই—রিয়াল মাদ্রিদের পক্ষ থেকে সেই আগ্রহের কোনো প্রতিদান ছিল না। বরং স্প্যানিশ ক্লাবটি প্রকাশ্যেই এনজোকে নিয়ে আগ্রহের খবর অস্বীকার করেছিল। ফলে চেলসি ছাড়ার যে পথটি এনজো সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেছিলেন, সেটি কার্যত শুরু হওয়ার আগেই বন্ধ হয়ে যায়।
রিয়ালকে সমীকরণ থেকে বাদ পড়তে দেখে তখন অন্য পথে হাঁটতে হয় তাকে। প্রিমিয়ার লিগেই এনজোর জন্য সম্ভাব্য গন্তব্য হয়ে ওঠে ম্যানচেস্টার সিটি। তারা আগে থেকেই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছিল। রিয়ালের অনাগ্রহের পর সিটিই শেষ পর্যন্ত দ্রুততম সময়ে সিদ্ধান্ত নেয়।
ফলে বেনফিকা ও রিভার প্লেটের সাবেক এই মিডফিল্ডারের পরবর্তী ঠিকানা হয় ম্যানচেস্টার। দলবদলের পুরো গল্পে তাই রিয়ালের ভূমিকা ছিল একটু অদ্ভুত—তারা এনজোকে নিতে চায়নি, কিন্তু তাদের সেই সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত সিটির জন্য সুযোগ তৈরি করে দেয়।
এইচজেএস
