উড়ন্ত শুরুর পর ইংলিশ স্পিনে দিশেহারা নিউজিল্যান্ড

ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলে কোনো ভাবনা ছাড়াই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠবে নিউজিল্যান্ড। বড় পুঁজি গড়ার লক্ষ্যে নেমে তারা ঝোড়ো শুরুই পেয়েছিল। পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৪ রান এবং দলীয় শতক পায় ১১.৪ ওভারে। বাকি ৫০ বলে কেবল ৫৯ রান তুলতে পেরেছে নিউজিল্যান্ড। তাদের সাত উইকেটের সবকটিই নিয়েছে ইংলিশ স্পিনাররা। ২০ ওভার শেষে কিউইদের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৫৯ রান।
কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম চলমান বিশ্বকাপের বেশ কয়েকটি ম্যাচেই স্পিনারদের বাড়তি সহায়তা দিয়েছে। আজও (শুক্রবার) প্রথম ইনিংসে সেই সুবিধাটা পুরোপুরি নিয়েছে ইংল্যান্ড। আদিল রশিদ, উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদরা নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পাশাপাশি দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন। অবশিষ্ট উইকেট গেছে আরেক স্পিনার লিয়াম ডসনের ভাগে। যা ইংল্যান্ডের জন্য বার্তা বহন করছে– তাদের সামনেও কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসছে কিউই স্পিনাররা!
এর আগে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে জোফরা আর্চারের প্রথম ওভারে কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে টিম সেইফার্টকে। একের পর এক সুইংয়ে বেসামাল হয়ে কোনো রানই করতে পারেননি। তবে আর্চারের করা তৃতীয় ওভারে ২ চার ও ১ ছক্কা মেরেছেন সেইফার্ট। আরেক ওপেনার ফিন অ্যালেনকে সঙ্গী করে দুজন মিলে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৫৪ রান তোলেন। ২৫ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ রানে ফেরেন সেইফার্ট। ১৯ বলে ৩ ছক্কায় ২৯ রান করা অ্যালেনও পরপরই আউট হয়েছেন।

রাচিন রবীন্দ্র ধীরগতির ১১ রানের ইনিংস খেলার পর স্পিন ঘূর্ণির মুখে পড়ে নিউজিল্যান্ড। গ্লেন ফিলিপসের ২৮ বলে ৪ চার ও এক ছক্কায় ৩৯ রান ছাড়া আর কেউই উল্লেখযোগ্য রান করতে পারেননি। মার্ক চাপম্যান ৯ বলে ১৫ এবং কোল ম্যাককনচি ১৪ রান করেছেন। তাদের বিপক্ষে স্পিনারদের দাপট দেখে আর্চারকে ৩ ওভার এবং স্যাম কারানকে ১ ওভারের বেশি করাননি ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক।
ইংলিদের পক্ষে চার স্পিনার মিলেই ৭ উইকেট নিয়েছেন। আদিল রশিদ, উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদের শিকার ২ উইকেট করে।
এএইচএস