ফাইনালেও নিখুঁত ক্রিকেট খেলতে চায় নিউজিল্যান্ড

ইডেন গার্ডেন্সে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেছে নিউজিল্যান্ড। ম্যাচের পর কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার জানালেন, আগামী রোববার আহমেদাবাদে ফাইনালেও নিখুঁত ক্রিকেট উপহার দিতে চান তারা। দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে প্রতিশোধ নিতে পেরেও খুশি তিনি।
স্যান্টনার বলেছেন, “খুব ভালো হবে যদি ফাইনালেও এরকম নিখুঁত ম্যাচ খেলতে পারি। তবে এটা আলাদা মাঠ ছিল। বিশ্বকাপে আগে এখানে খেলিনি। তা ছাড়া লাল মাটির পিচ না কালো মাটির পিচ, এ রকম অনেক কিছুর ওপর দলগঠন নির্ভর করে। মাঠের আকারও বিভিন্ন ধরনের হয়। আপাতত জয়ে খুব খুশি। আরও দু’দিন আছে হাতে। দেখা যাক কী হয়। আগে বলেছিলাম, নিখুঁত ক্রিকেট খেলতে পারিনি। আজ (গতকাল) সব দিক থেকেই দিনটা ভালো গিয়েছে আমাদের কাছে।”
এক সময় ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেখান থেকে পৌঁছে গিয়েছিল ১৬৬-তে। তবে স্যান্টনারের কখনোই মনে হয়নি রান তাড়া করতে পারবেন না। বলছিলেন, “মিথ্যা বলব না, মাত্র ১৭০ রান উঠেছে দেখে খুশিই হয়েছিল। যদিও পাওয়ার প্লে-তে পিচ কেমন থাকবে সেটা নিয়ে চিন্তা ছিলই। তবে যেভাবে দুই ওপেনার ক্রিজে নেমে দাপট দেখিয়েছে, তা অসাধারণ লেগেছে। পাওয়ার প্লে-তে ওপেনিং জুটি এরকম খেললে ম্যাচে আপনি বাড়তি সুবিধা পাবেনই।”

দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে গ্রুপ পর্বে হেরেছিল নিউজিল্যান্ড। সেমিফাইনালে তার প্রতিশোধ নিতে পেরে খুশি স্যান্টনার। বলেছেন, “হারের মতো জিতলেও অনেক কিছু থেকে শিক্ষা নেওয়ার থাকে। আহমেদাবাদের ওই ম্যাচে আজকের মতো ভালো খেলেছিলাম কি না জানি না। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা অসাধারণ খেলেছিল। আজ চেয়েছিলাম ওদের যতটা সম্ভব চাপে রাখতে। শুরুতে স্পিনারদের এগিয়ে দিয়েছিলাম, যেটা আহমেদাবাদে করিনি।”
গত বার ফাইনালে উঠলেও এবার সেমিফাইনালে থেমে গিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার দৌড়। অধিনায়ক এইডেন মার্করাম জানালেন, প্রথমে ব্যাট করার সময় পিচ কঠিন ছিল বলেই প্রত্যাশিত রান তুলতে পারেননি তারা। কৃতিত্ব দিয়েছেন শতরানকারী ফিন অ্যালেনকেও। মার্করাম বলেছেন, “প্রথম দিকে ব্যাট করা সহজ ছিল না। ওরা দারুণ বল করেছে। বল সহজে ব্যাটে আসছিল না। হঠাৎ হঠাৎ থমকে যাচ্ছিল। কিছু কিছু বল নিচু হয়ে যাচ্ছিল। তাই রান তোলা খুব কঠিন হয়ে গিয়েছিল। তা ছাড়া ব্যাট হাতে বিপক্ষের কেউ (অ্যালেন) যদি ও রকম ইনিংস খেলে দেয় তাহলে জেতা খুবই কঠিন।”
এফআই