ম্যাচসেরা স্যামসন বললেন, ‘পুরস্কারটা বুমরাহরই প্রাপ্য’

পুরস্কার মঞ্চে দাঁড়িয়ে হাস্যোজ্জ্বল সাঞ্জু স্যামসন। ৮৯ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ম্যাচসেরা হলেন তিনি, টানা দ্বিতীয় ম্যাচে। প্রথমবার ফাইনাল খেলবেন, এই রোমাঞ্চকর অনুভূতি কাজ করছিল মনে। দুটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের নায়ক হয়ে গর্বে বুক ফুলে যাওয়ার কথা, কিন্তু মাটিতে পা তার। তিনি বললেন, জসপ্রীত বুমরাহর কারণেই পুরস্কার মঞ্চে দাঁড়াতে পেরেছেন।
বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৭ উইকেটে ২৫৩ রান করে ভারত। ৪২ বলে ৮৯ রানের ইনিংস খেলে প্রত্যাশিতভাবে ম্যাচসেরা তিনি। কিন্তু ভারতের রানপাহাড়কে নাগালের মধ্যে নিয়ে এসেছিল ইংল্যান্ড। তবে বুমরাহ লাগাম টেনে ধরেন। শেষ দিকে দারুণ দুটি ওভার করেন। তাতে ইংল্যান্ডকে থামতে হয় ২৪৬ রানে। তাই সাত রানের জয়ের পর বুমরাহর চমৎকার বোলিংকে কৃতিত্ব দিলেন স্যামসন।
ভারতের ওপেনার বললেন, ‘সব কৃতিত্ব বুমরাহর। আমি মনে করি সে একজন বিশ্বমানের বোলার, এক প্রজন্মের সত্যিকারের খেলোয়াড়। আজ সেভাবেই সে বল করেছে। আমার মতে এই পুরস্কার আসলে তার পাওয়া উচিত।’
ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুককে ৭ রানে আউট করেন বুমরাহ। প্রথম বলে উইকেট পাওয়ার পর ডেথে আরও কঠিন দায়িত্ব পান, যখন ইংল্যান্ড চোখ রাঙাচ্ছিল। ১৬ ও ১৮তম ওভারে বল হাতে নিয়ে মাত্র ১৪ রান দিয়ে ভারতের দিকে ম্যাচ টেনে আনেন। মারমুখী ব্যাটার জ্যাকব বেথেলে বুমরাহর ১৩ বলে মাত্র ১৭ রান নেন।
নিজের বড় ইনিংসের চেয়ে ডেথে এই পেসারের দুর্দান্ত বোলিংকেই জয়ের নেপথ্য কারণ বললেন স্যামসন, ‘আমরা যদি ডেথ ওভারে এমন বোলিং না করতাম, তাহলে খানে থাকতে পারতাম না। বোলাররা সব কৃতিত্বের দাবিদার, বিশেষ করে এরকম কঠিন কন্ডিশনে যেভাবে তারা বোলিং করল।’
ফাইনালে আগামী রোববার ভারতের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। এই ম্যাচ নিয়ে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব বললেন, ‘এটা অবিশ্বাস্য অনুভূতি, তাও আবার খেলছি ভারতে। এমন চমৎকার একটা দলকে নেতৃত্ব দেওয়া এবং ভারতে বিশ্বকাপ, সত্যিই দারুণ। আহমেদাবাদে ফাইনাল খেলতে যাচ্ছি। সব ছেলেদের জন্য এটা একটা বিশেষ অনুভূতি।’
এফএইচএম/