বিজ্ঞাপন

দিলারার দ্রুততম ফিফটিতে নেদারল্যান্ডসকে হারাল বাংলাদেশ

দিলারার দ্রুততম ফিফটিতে নেদারল্যান্ডসকে হারাল বাংলাদেশ

দিলারা আক্তারের রেকর্ড গড়া ঝড়ো ফিফটি ও ফারিহা ইসলামের জোড়া উইকেটে নেদারল্যান্ডসকে ১৩ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। বৃষ্টিবিঘ্নিত ৮ ওভারের ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৯৮ রান তোলে টাইগ্রেসরা। জবাবে ডাচরা ৮৫ রান পর্যন্ত যেতে পারলেও জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ এক জয় তুলে নিল নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।

৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরুই পেয়েছিল নেদারল্যান্ডস। ওপেনার হেইদার সাইজার্স ও বেবেতে ডি লিড প্রথম উইকেটে ৫২ রান যোগ করেন। তবে পঞ্চম ওভারে ২১ রান করা সাইজার্সকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন ফারিহা ইসলাম।

এরপর ডাচদের সবচেয়ে বড় ভরসা ডি লিডকেও সাজঘরে ফেরান ফারিহা। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ১৪ বলে ৩০ রান করলেও দলকে জয়ের বন্দরে নিতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৮ ওভারে ৮৫ রানেই থেমে যায় নেদারল্যান্ডসের ইনিংস।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন ফারিহা ইসলাম। তিনি ২টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন। তার নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও দিলারার বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ১৩ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে টাইগ্রেসরা।

টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় নেদারল্যান্ডস। তবে শুরু থেকেই ডাচ বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালান দুই ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ও দিলারা আক্তার। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তুলতে থাকেন তারা। চতুর্থ ওভারে ৪২ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে জুয়াইরিয়ার বিদায়ে। তরুণ এই ওপেনার ৮ বলে ১৩ রান করে আউট হন।

এরপর তিন নম্বরে নেমে দিলারাকে সঙ্গ দেন সোবহানা মোস্তারি। তবে আলো ছড়ান দিলারাই। ডানহাতি এই ব্যাটার মাত্র ২২ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, যা বাংলাদেশ নারী দলের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে দ্রুততম ফিফটির নতুন রেকর্ড। এর আগে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড ছিল রুমানা আহমেদের। ২০১৯ সালে লাহোরে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি ২৮ বলে অর্ধশতক করেছিলেন। এবার সেই দুই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন দিলারা।

তবে ফিফটির পর বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি তিনি। ৮ চার ও ২ ছক্কার সাহায্যে ২৬ বলে ৫১ রান করে বোল্ড হয়ে ফেরেন এই ওপেনার। সোবহানা মোস্তারি ৯ বলে ১১ রান করে অপরাজিত থাকেন। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ৪ বলে ৯ রান করেন। নির্ধারিত ৮ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৯৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

এইচজেএস