প্রথমবারের মতো শাস্তি পেল ক্রিকেটের তীর্থ-খ্যাত ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক ভেন্যু লর্ডস। সম্প্রতি স্বাগতিকদের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার একটি টেস্টে উইকেটে প্রচুর সিম মুভমেন্টের পাশাপাশি নিয়মিতভাবে অসম বাউন্সের বিস্ময়কর দৃশ্যের দেখা মেলে। যেখানে ৪০টি আউটের মধ্যে ২৪টিই বোল্ড অথবা এলবিডব্লিউ। ফলে প্রথমবার লর্ডসের ভেন্যুকে এক ডিমেরিট পয়েন্ট দিয়েছে আইসিসি।
একইসঙ্গে ইংল্যান্ড- নিউজিল্যান্ড টেস্টে ব্যবহৃত পিচকে ‘অসন্তোষজনক’ রায় দেওয়া হয়েছে। ওই উইকেটে ম্যাচটি তৃতীয় দিন পর্যন্ত যায় কি না সেই সন্দেহ জেগেছিল অনেকের। যদিও বৃষ্টিতে প্রায় একদিন ভেস্তে যাওয়ার পর ফল এসেছে চতুর্থ দিনের সকালে। ১৪০ বছরের মধ্যে লর্ডসে সংক্ষিপ্ততম টেস্ট ছিল এটি, যেখানে ৯৯৬ বলের মধ্যে উভয় দলের ৪০ উইকেট পড়েছে। শেষ পর্যন্ত ইংলিশরা জিতেছে ১১৫ রানে।

আইসিসির ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট লর্ডসের উইকেট নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ জানিয়ে বলেছেন, ‘টেস্ট ম্যাচটিতে সিম মুভমেন্ট অনেক বেশি ছিল এবং বেশ কয়েকবার বল খুব নিচু হয়ে আসে। বাউন্সও ছিল অসম, ফলে প্রথম দিনে ১৬ ও দ্বিতীয় দিনে ১৭ উইকেট পড়ে। পিচের কারণে ব্যাটিংয়ের তুলনায় বোলিংয়ে (বাড়তি সুবিধা হওয়ায়) ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়।’
লর্ডস কর্তৃপক্ষ অবশ্য এই শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ ছিল। যদিও লর্ডসের মালিক মেরিলবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) ম্যাচের পরই দায় স্বীকার করে বলেছে, উইকেট তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। তাদের মতো ‘অসন্তোষজনক’ রায় দেওয়া হয়েছে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় ওয়ানডের ভেন্যু লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের পিচকে। পাশাপাশি একটি ডিমেরিট পয়েন্ট দিয়েছে আইসিসি।
লাহোরে ওই ভেন্যুতে সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৫৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ৪ উইকেটের জয় পায় পাকিস্তান। লো স্কোরিং ম্যাচটির পিচ নিয়েও বেশ আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়।
এএইচএস
