ওয়াক্তের শুরুতেই নামাজ কাতারে

Dhaka Post Desk

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, কাতার থেকে

২৫ নভেম্বর ২০২২, ০৫:২১ পিএম


ওয়াক্তের শুরুতেই নামাজ কাতারে

সকাল হতে না হতেই জুমার প্রস্তুতি দোহার বিন উমরান এলাকায়। ঘড়ির কাটায় তখন মাত্র সকাল ১১টা। তখনই জুমার আজান শোনা গেল আশেপাশের সব মসজিদ গুলো থেকে। এর মিনিট ৩০ পরেই সাড়ে এগারোটা নাগাধ মুসল্লিতে পরিপূর্ণ দোহার মসজিদগুলো। বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে কাতার আসা বাংলাদেশিদের জন্য বিষয়টি চমকপ্রদই। পৌনে বারোটার মধ্যে নামাজ শেষে সবাই যার যার বাসায়। বাংলাদেশের হিসেবে একেবারে ভিন্ন চিত্র। 

বাংলাদেশে যেখানে জুমার আজানই দেয় বারোটা-সোয়া বারোটায় সেখানে কাতারে পৌনে বারোটার মধ্যে জুমাই শেষ। কাতারে একটি মসজিদের ইমাম মোঃ ইসহাক এই প্রসঙ্গে বলেন,‘ কাতারে সকল নামাজ পড়া হয় আওয়াল ওয়াক্তে। অর্থাৎ ওয়াক্ত শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই। ১১ টার পর থেকেই জোহরের ওয়াক্ত। তাই সাড়ে এগারোটার মধ্যে জুমার নামাজ আদায় হয়।’

জুমার নামাজের মতো সকল ওয়াক্তের নামাজই দ্রুত পড়া হয়। নভেম্বর থেকে কাতারে শীত পড়ে। এখনো সেভাবে শীত পড়েনি। তবে রাতের বেলা হাল্কা ঠান্ডা বাতাস বয়ে যায়। এখন শীতের মৌসুম তাই বাংলাদেশের মতো দিন ছোট। এই সময় ফজর নামাজ সোয়া চারটা থেকে সাড়ে চারটা। জোহর নামাজ সাড়ে এগারোটার দিকে। আসর নামাজ সোয়া তিনটা-সাড়ে তিনটার মধ্যে। মাগরিব ও এশার মধ্যে সময়ের পাথক্য মাত্র এক-সোয়া ঘন্টা। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার মধ্যে এশার নামাজও সম্পন্ন হয়ে যায় কাতারে।

বাংলাদেশে ওয়াক্ত শুরুর মাঝামাঝি পর্যায়ে নামাজের জামায়াত হয়। কাতারে জামায়াতের চর্চাটা ওয়াক্তের শুরুতেই। কাতারের অধিকাংশ মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন বাংলাদেশের। ইয়েমেনীও রয়েছে বেশ কিছু মসজিদে। তবে কোনো মসজিদে ইমাম না থাকলেও মুয়াজ্জিন বাংলাদেশি এই সংখ্যাটা বেশি। 

এজেড

Link copied