পোর্তোকে হারিয়ে শেষ চারের পথে টুখেলের চেলসি

Dhaka Post Desk

স্পোর্টস ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৪৭

পোর্তোকে হারিয়ে শেষ চারের পথে টুখেলের চেলসি

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজের প্রথম গোলের পর মেসন মাউন্টের উল্লাস/স্কাই স্পোর্টস

লিগে সর্বশেষ ম্যাচেই ওয়েস্ট ব্রমের কাছে রীতিমতো উড়েই গিয়েছিল চেলসি। সে ম্যাচের ছাপটা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পড়তেই দিল না কোচ থমাস টুখেলের শিষ্যরা। পোর্তোকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ চারের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছে দলটি।

অথচ ম্যাচের আগে দলটির সাজানো সংসারে আগুনের আভাসই মিলছিল। লিগে বড় হারের পর অনুশীলনে দুই চেলসি খেলোয়াড় কেপা আরিজাবালাগা আর অ্যান্টোনিও রুডিগারের সংঘাতের খবর এল সংবাদ মাধ্যমে।

তবে ম্যাচে তার প্রভাব পড়েনি আদৌ। শুরু থেকে বলের দখলে এগিয়ে ছিল চেলসি, টুখেলের অধীনে যা প্রতি ম্যাচেই করে আসছে দলটি। তবে গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না ইংলিশরা। প্রতি আক্রমণের কৌশলে খেলা পোর্তোও যেমন খাবি খাচ্ছিল প্রতিপক্ষ বিপদসীমায় এসে।

এমন সব ম্যাচে যেমন করা উচিত, চেলসি করেছে ঠিক সেটাই। কাজে লাগিয়েছে নিজেদের প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগটা। ইতালিয়ান মিডফিল্ডার জর্জিনিয়োর পাস ধরে প্রতিপক্ষ বক্সে চলে আসেন মেসন মাউন্ট। ডান পায়ের জোরালো শটে করেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজের প্রথম গোল। ২২ বছর ৮৭ দিনে গোলটি করে বনে যান প্রতিযোগিতায় চেলসির সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতাও। অমূল্য ‘অ্যাওয়ে গোলটা’ চেলসি পেয়ে যায় লড়াইয়ের ৩২ মিনিটেই।

প্রথমার্ধে ব্লুজরা প্রথম শটটা নিল সেই একটাই। আর বিরতির আগে পোর্তোর ছিল দুটো। দুই চেষ্টাই ঠেকিয়ে দলকে এগিয়ে রাখেন চেলসি গোলরক্ষক এদুয়ার্দ মন্ডি।

দ্বিতীয়ার্ধের দশম মিনিটে পোর্তো সমতায়ও ফিরতে পারতো। কিন্তু পোর্তো অধিনায়ক লুইস দিয়াজের শটটা বেরিয়ে যায় লক্ষ্যের একটু বাইরে দিয়ে। এর ৫ মিনিট পর অ্যান্তোনিও রুডিগারের শটটা পোর্তো গোলরক্ষক ঠেকালেও ফিরতি সুযোগ আসে টিমো ভের্নারের কাছে। তবে তার পাস থেকে কাই হ্যাভার্টজের শটটা ছিল না লক্ষ্যেই। 

৮৪ মিনিটে দারুণ সুযোগ আসে চেলসির সামনে। তবে ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিচের শটটা প্রতিহত হয় ক্রসবারে। এরপরই অবশ্য দ্বিতীয় গোলটা পেয়ে যায় ‘সফরকারী’ চেলসি। পোর্তো রক্ষণের ভুলে পাওয়া বল নিয়ে বিপদসীমায় ঢুকে পড়েন ইংলিশ ডিফেন্ডার বেন চিলওয়েল, গোলরক্ষককে কাটিয়ে করেন গোলটি। দুই গোলের এই জয়ের ফলে চেলসি ২০১৩-১৪ মৌসুমের পর আবারও উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে খেলার আশা জোরদার করেছে।

ইংল্যান্ড ও পর্তুগালে করোনা সংক্রমণের কারণে ম্যাচটি হয়েছিল সেভিয়ার মাঠ রেমন সানচেজ পিজুয়ানে, তবে এ খেলাটা ছিল চেলসির জন্য ‘অ্যাওয়ে ম্যাচ’। আগামী সপ্তাহের ফিরতি লেগে আবারও খেলবে এই মাঠেই। সেদিন কোনোক্রমে ড্র বা এক গোলে হারলেও শেষ চারে উঠে যাবে চেলসি।

এনইউ

Link copied