চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্সেনাল

একেবারে শেষ মুহূর্তের গোলে বায়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে প্রথম লেগে হার এড়িয়েছিল আর্সেনাল। ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে তাদের জিততেই হতো। আধিপত্য দেখিয়ে সেই জয় আদায় করে নিয়েছে মিকেল আর্তেতার দল। এবেরেশি এজে ও ডেকলান রাইসের গোলে লেভারকুসেনকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে গানাররা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে।
বিজ্ঞাপন
গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে এমিরেটস স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে জার্মান ক্লাবটিকে আতিথ্য দেয় আর্সেনাল। বল দখলে সফরকারী লেভারকুসেন এগিয়ে থাকলেও (৫৯ শতাংশ) বাকি সবদিক থেকে তাদের বিরুদ্ধে দাপট ছিল স্বাগতিকদের। গোলের জন্য ২০টি শট নিয়ে আর্সেনাল ১৩টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। বিপরীতে ১০ শটের মধ্যে দুটি লক্ষ্যে ছিল লেভারকুসেনের। অ্যাগ্রিগেটে গানারদের জয় ৩-১ ব্যবধানে।
খেলার শুরু থেকেই স্বাগতিকরা চেপে ধরে লেভারকুসেনকে। যদিও দুর্দান্ত কয়েকটি সেভের সুবাদে অক্ষত থাকে তাদের গোলবার। আর্সেনালের একের পর এক আক্রমণ প্রতিপক্ষের বক্সেই থেমেছে। এরপর ম্যাচের ডেডলক ভাঙে ৩৬ মিনিটে। লিয়েন্দ্রো ট্রোসার্ডের বাড়ানো পাস পেয়ে এবরেশি এজে শরীর ঘুরিয়েই জোরালো শট নিয়েছেন। সেই বল কাছের পোস্টে উপরের কোণা দিয়ে জাল কাঁপায়।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এই প্রথম গোল পেলেন এজে। গত গ্রীষ্মে আর্সেনালে যোগ দিয়ে চলতি মৌসুমে এই ইংলিশ মিডফিল্ডারের গোলসংখ্যা হলো ৯টি। প্রথমার্ধে লেভারকুসেনের গোল হজমের সংখ্যা আরও বাড়েনি গোলরক্ষকের অসাধারণ নৈপুণ্যে। অন্যদিকে, আর্সেনাল রক্ষণকে বেশি পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি দলটি। স্বাগতিকরা লিড দ্বিগুণ করে ৬৩তম মিনিটে। রাইস প্রায় একক নৈপুণ্যে দারুণ গোল করেছেন। প্রথম ছোঁয়ায় বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট পোস্ট ঘেঁষে গোললাইন অতিক্রম করে।
বিজ্ঞাপন
ব্যবধান কমাতে মরিয়া লেভারকুসেন বেশ কয়েকটি আক্রমণ করলেও বল জালে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে ফিরতি লেগে ২-০ এবং দুই লেগ মিলিয়ে ৩-১ ব্যবধানে হার নিয়ে তাদের বিদায়ঘণ্টা বাজলো। কোয়ার্টার ফাইনালে উঠা আর্সেনালের প্রতিপক্ষও নির্ধারিত হয়েছে। নরওয়েজিয়ান ক্লাব বোডো/গ্লিমটকে ৫-০ এবং অ্যাগ্রিগেটে ৫-৩ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টারে উঠেছে স্পোর্টিং সিপি। আগামী ৮ এপ্রিল তাদের সঙ্গে পরবর্তী রাউন্ডে দেখা হবে আর্সেনালের।
এএইচএস