এএফসি অ-২০ নারী টুর্নামেন্টের বাছাইয়ে বাংলাদেশ খুব ভালো অবস্থানে ছিল। আজ থাইল্যান্ডে এ গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে ভিয়েতনামের বিপক্ষে ড্র করলে এই গ্রুপের তৃতীয় স্থান নিশ্চিত হতো। তখন বি ও সি গ্রুপের নিচের সারির দুই দলের মধ্যকার ম্যাচগুলোর একটি ড্র হলেই বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনালে যেত। এত সব সমীকরণ ও সম্ভাবনা ভেস্তে গেছে বাংলাদেশ ০-১ গোলে হেরে যাওয়ায়।
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তার টুর্নামেন্টে ভালোই পারফরম্যান্স করছিলেন। আজ তার ভুলেই বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের মিনিট পাঁচেক পর বক্সের একটু সামনে ফ্রি কিক পায় ভিয়েতনাম। মিলি পোস্ট থেকে বেরিয়ে এসে বল গ্রিপে নিতে পারেননি। তার হাত ফস্কে যাওয়া বল সহজে হেডে বাংলাদেশের জালে পাঠান ভিয়েতনামের ফরোয়ার্ড।
গোল পরিশোধের জন্য আরো ৪০ মিনিট সময় পেয়েছিল বাংলাদেশ। গোল পরিশোধের মতো আক্রমণ ও সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ভিয়েতনাম বল পজিশনে এগিয়ে থাকলেও গোল ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। ফলে ০-১ স্কোরলাইনেই খেলা শেষ হয়।
থাইল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন সাগরিকা। আজ ম্যাচের প্রথমার্ধে তিনি দুর্দান্ত সুযোগ পেয়েছিলেন। ভিয়েতনামের গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালে পাঠাতে পারেননি। সাগরিকার ঐ সুযোগ ছাড়া বাংলাদেশ আর সেই রকম গোলের স্পষ্ট সুযোগ পায়নি।
বিজ্ঞাপন
সিনিয়র নারী এশিয়া কাপের মতো অ-২০ টুর্নামেন্টেও বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করেছে। অভিষেক ম্যাচে সাগরিকার জোড়া গোলে ৬৯ মিনিট পর্যন্ত লিড ছিল বাংলাদেশের। এরপর দুই ডিফেন্ডারের ভুলে দুই পেনাল্টিতে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। আরেকটি গোল হজম করে শুন্য হাতেই মাঠ ছাড়তে হয়। পরের ম্যাচে শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে প্রথমার্ধ গোলশুন্য ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে দুই গোল হজম করে। থাইল্যান্ড ও চীনের বিপক্ষে পারফরম্যান্সের পর ভিয়েতনাম ম্যাচে অন্তত ড্র প্রত্যাশা ছিল। মিলির ভুলে সেটাও আর হয়নি।
এজেড/এইচজেএস
