World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

দুই দেশের মধ্যে অনেক মিল, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল নরওয়ে

দুই দেশের মধ্যে অনেক মিল, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল নরওয়ে

গত বিশ্বকাপে উপমহাদেশের ফুটবল সমর্থক, বিশেষ করে বাংলাদেশের সমর্থকদের সমর্থনে মুগ্ধতার সাগরে ভেসেছিল আর্জেন্টিনা। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ফেডারেশনের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করা হয়েছিল। বাংলাদেশি ভক্তরা আবারও প্রস্তুতি নিচ্ছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনাকে সমর্থন জানানোর, তবে এবার চাইলে বিশ্বকাপের ‘আন্ডারডগ’ নরওয়ের পাশেও থাকতে পারে।

চমকপ্রদ ও কৌশলী সোশাল মিডিয়া পোস্টে ঢাকায় অবস্থিত রয়্যাল নরওয়েজিয়ান অ্যাম্বাসি তাদের দলের প্রতি বাংলাদেশি ফুটবল ভক্তদের সমর্থন চেয়েছে। বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না থাকলেও নরওয়েকে সমর্থন দেওয়া যুক্তিসঙ্গত বলেছে দূতাবাস। একই সঙ্গে তারা নরওয়েকে ‘দ্বিতীয় দল’ হিসেবে বেছে নেওয়ার কারণ হিসেবে দুই দেশের মধ্যে কিছু আশ্চর্যজনক সাদৃশ্য তুলে ধরেছে।

তাদের পোস্টের শিরোনাম ছিল, ‘২০২৬ বিশ্বকাপে নরওয়েকে বাংলাদেশের সমর্থন দেওয়া উচিত।’ লম্বা পোস্টে তারা কারণও তুলে ধরেছে, ‘জানতে চান, কেন?’ 

‘কারণ, আমাদের ফুটবলপ্রেমী দেশ দুটির মধ্যে কেবল ফুটবলই নয়, তার চেয়েও বেশি কিছু মিল রয়েছে—যা হয়তো আপনার ধারণারও বাইরে!’

‘বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া শুরুর দিকের দেশগুলোর মধ্যে নরওয়ে অন্যতম। এছাড়া আমরা উভয় দেশই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তি, মধ্যস্থতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করি। আমাদের এই বন্ধন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ইতিহাস ও বন্ধুত্বের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। যেহেতু বাংলাদেশ এই বিশ্বকাপে খেলছে না, তাই বাংলাদেশিদের সমর্থন করার জন্য নরওয়ে একদম উপযুক্ত একটি দল; কারণ দীর্ঘ ২৮ বছরের অপেক্ষা শেষে আমরা আবারও ফুটবলের সবচেয়ে বড়মঞ্চে ফিরে এসেছি।’

‘আমাদের যুক্তিগুলো একটু শুনে দেখুন! আমরা উভয়ই নদী ও সমুদ্রবেষ্টিত উপকূলীয় দেশ এবং মাছের প্রতি আমাদের উভয়েরই দারুণ ভালোবাসা রয়েছে! আমরা ফেয়ার প্লে বা ন্যায়পরায়ণতায় বিশ্বাসী, তা বহুপাক্ষিক সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক উন্নয়নমূলক কাজই হোক, কিংবা ফুটবল মাঠেরই হোক।’

‘আমরা দুই দেশই নিজ নিজ জায়গায় ছোট—বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে তুলনামূলক ছোট, আর নরওয়ে জনসংখ্যার দিক থেকে খুবই ছোট। কিন্তু বৈশ্বিক মঞ্চে আমরা দুজনেই অনেক বড় স্বপ্ন বুনি!’

‘আর যারা এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারছেন না, তাদের জন্য একটি বোনাস—বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা আর্লিং ব্রাউট হালান্ড কিন্তু নরওয়ে দলেই খেলছেন।’

‘তাহলে কী ভাবছ, বাংলাদেশ? এবার সময় এসেছে আন্ডারডগদের সমর্থন করার! সময় এসেছে একসঙ্গে বড় স্বপ্ন দেখার!’

নরওয়ে পড়েছে গত দুই আসরের ফাইনালিস্ট ফ্রান্সের গ্রুপে, যেখানে আরও আছে ইরাক ও সেনেগাল। ১৬ জুন তাদের প্রথম ম্যাচ ইরাকের সঙ্গে।

এফএইচএম