লিমায় সন্দেহভাজন এক মাদক পাচারকারীকে গ্রেপ্তারে উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়েছে পেরুর জাতীয় পুলিশ। তাদের কর্মকর্তারা জানতেন যে, ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তি একনিষ্ঠ ফুটবল অনুরাগী। আর তাই বিশ্বকাপের তিন মাসকটের দুটি— ক্লাচ ও ম্যাপলের ছদ্মবেশে তাকে বাসা থেকে আটক করে। মাসকট দুটি যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার প্রতিনিধিত্ব করছে।
পূর্ববর্তী গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তারা বুঝতে পারেন যে, ওই ব্যক্তি বিশ্বকাপ সংক্রান্ত প্রত্যেকটি বিষয় অনুসরণ করছে। আর সেভাবেই তারা কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করেন।
পুলিশ এক বিবৃতি দিয়েছে, ‘দলের গোয়েন্দা কার্যক্রমের জন্য ধন্যবাদ। তাদের কারণেই আমরা জানতে পেরেছিলাম যে, আমরা যাকে গ্রেপ্তার করতে যাচ্ছি সে একজন ফুটবল অনুরাগী এবং বিশ্বকাপ জ্বরে কাঁপছে।’
এই তথ্যকে প্রাধান্য দিয়ে অভিযানের পরিকল্পনা সাজায় পুলিশ, ‘আমাদের গ্রিন স্কোয়াড্রনের সদস্যরা বিশ্বকাপ মাসকটের ছদ্মবেশ ধরেছিল যেন আমরা কোনো ধরনের সন্দেহের উদ্রেক না করেই তার কাছে গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে পারি।’
পেরুভিয়ান রাজধানীতে অবস্থিত ওই মাদক পাচারকারীকে ধরতে কিছুটা হলেও ঘাম ছুটেছিল পুলিশের। তারা ঘরের মূল দরজা ভেঙে ঢোকার পর তার পিছু নিতে হয়েছিল। তাকে তাড়া করে দ্বিতীয় তলায় গিয়ে ধরে ফেলেন তারা।
এই অভিযানে একটি পিস্তল, ছুরি ও বিভিন্ন মাদকদ্রব্য খুঁজে পাওয়া গেছে। ওই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে অভিযানের সমাপ্তি টানা হয়।
এবারের বিশ্বকাপে পেরু জায়গা না পেলেও রাজধানীতে পুলিশের অভিযানের মধ্যে দুই বিশ্বকাপ মাসকটের কোনো বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার ঘটনা সবার নজর কেড়েছে।
এফএইচএম

