ম্যাচের ঘড়িতে তখন চলছে যোগ করা সময়ের খেলা। ডাগআউটে সুইসরা যখন ৩ পয়েন্ট পাওয়ার আনন্দে উৎসব শুরুর অপেক্ষায়, ঠিক তখনই ঘটল সেই নাটকীয়তা। সুইজারল্যান্ডের মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়ে শেষ মুহূর্তের নাটকীয় গোলে ১-১ ব্যবধানে ঐতিহাসিক ড্র আদায় করে নিল এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন কাতার।
আর এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট পেল কাতার। এর আগে যতবার খেলেছে, প্রতিটি ম্যাচেই হেরেছে কাতার।
ম্যাচের শুরু থেকেই কাতারকে চেপে ধরা সুইজারল্যান্ড কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পেয়েছিল প্রথমার্ধের ১৬ মিনিটের মাথায়। ডি-বক্সের ভেতর ফাউল করায় ভিএআর চেকের মাধ্যমে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট কিক থেকে ঠাণ্ডা মাথায় কাতারের গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদাকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান সুইস ফরোয়ার্ড ব্রিল এম্বোলো। এই গোলের মাধ্যমে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম পেনাল্টি গোলের ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়েছিল সুইজারল্যান্ড।
১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে অল-আউট ফুটবলের চেষ্টা করে কাতার। সুইজারল্যান্ডের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকাঞ্জিদের কড়া রক্ষণভাগের সামনে বারবার তাদের আক্রমণগুলো থমকে যাচ্ছিল। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষেও যখন স্কোরলাইন ১-০, তখনই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।
ইনজুরি টাইমে সুইজারল্যান্ডের ডি-বক্সের ভেতর এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে সুইস রক্ষণভাগের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবিশ্বাস্য এক গোল করে কাতারকে সমতায় ফেরায় তাদের স্ট্রাইকার। গ্যালারিতে থাকা হাজারো কাতার সমর্থককে উল্লাসে ভাসিয়ে রেফারির শেষ বাঁশির সাথে সাথেই ১-১ গোলের সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।
এমএমএম/

