ম্যাচের সময় তখন ১১ মিনিট। ইয়োয়ানে উইসা জায়গা বের করে লক্ষ্যে শট নেন। অল্পের জন্য গোলপোস্ট ঘেষে বেরিয়ে যায় বল। দুই মিনিট পর আরেকটি সুযোগ। বাকাম্বুর বক্সের প্রান্ত থেকে নেওয়া শট আরাউজো ব্লক করে ফেরালেন।
এই দুটি আক্রমণেই যেন কঙ্গো চমক দেখানোর আত্মবিশ্বাস পেয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ইনজুরি টাইমের পঞ্চম মিনিট, হাফটাইমের শেষ বাঁশি বাজানোর অপেক্ষায় রেফারি। ওই মুহূর্তে ডিবক্সের মধ্যে সম্পূর্ণ অরক্ষিত থাকা উইসা হেড করে জাল কাঁপালেন। মাসুয়াকুর একটি ক্রস থেকে বল জালে জড়িয়ে কঙ্গোর সমর্থকদের স্বপ্নের রাজ্যে ভাসান তিনি।
একই সঙ্গে উইসা ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান। কঙ্গোর প্রথম বিশ্বকাপ গোলদাতা হলেন নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের ২৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। আরেকটি বিরল কীর্তি গড়েছেন তিনি। কঙ্গোর হয়ে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে আফ্রিকান নেশন্স কাপ ও বিশ্বকাপের গোলদাতা উইসা। আফকনে দুটি গোল করেন তিনি, ২০২৪ সালের আসরেই।
এফএইচএম

