World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

কোচের বক্তব্য দ্বিতীয়ার্ধে বদলে দিয়েছিল ইংল্যান্ডকে

কোচের বক্তব্য দ্বিতীয়ার্ধে বদলে দিয়েছিল ইংল্যান্ডকে

চলতি বিশ্বকাপে উদ্বোধনী ম্যাচেই মুখোমুখি হয়েছিল দুই ইউরোপিয়ান জায়ান্ট ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া। প্রথমার্ধে দুই দল সমানে সমান লড়াই করে। ২-২ গোলে সমতায় থেকে হাফটাইমে যায় দুই দল।

প্রথমার্ধে ইংল্যান্ড বড় সুযোগ তৈরি করেছিল দুটি, আর ক্রোয়েশিয়া একটি। ইংলিশরা মোট শট নেয় ৯টি, ক্রোটরা চারটি। দুই দলের কিপারকেও দুটি করে গোল খাওয়ার আগে-পরে সেভাবে পরীক্ষা দিতে হয়নি।

কিন্তু বিরতির পর চিত্র পাল্টে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলের পরিসংখ্যানে ছিল বড় তফাৎ। দুটি গোল দেওয়ার পথে ১৩টি শট নেয় ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ৬টি। আর ক্রোট গোলকিপার লিভাকোভিচকে এই সময় সেভ করতেই ব্যস্ত সময় পার করেছেন। বিরতির পর সাতটি সেভ না করলে ইংল্যান্ড ৪-২ এর চেয়ে বড় স্কোরে জিততো।

সব মিলিয়ে ম্যাচে ২২ শট নেয় ইংল্যান্ড, ১১টি ছিল অন টার্গেটে। বিপরীতে ১০ শটের পাঁচটি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছিল ক্রোয়েশিয়া। বিরতির আগে পরে কীভাবে বদলে গেল ইংল্যান্ড, তা  ম্যাচ শেষে জানালেন জোড়া গোল করা হ্যারি কেইন।

কেইন জানিয়েছেন, বিরতির সময় কোচ থমাস টুখেলের দেওয়া একটি বক্তব্যই দ্বিতীয়ার্ধে তাদের ‘পুরো গতিতে’ খেলা শুরু করতে অনুপ্রাণিত করেছিল। যুক্তরাজ্যের আইটিভি-কে) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এটি এমন একটি ম্যাচ ছিল যার দুই অর্ধে দুটি ভিন্ন রূপ দেখা গেছে। বিরতির সময় কোচ আমাদের উদ্দেশ্যে একটি বক্তব্য দেন এবং বলেন, যদি তোমরা হেরেও যাও, কোনো আফসোস নেই, কিন্তু হারলেও যেন আমাদের নিজেদের চেনা স্টাইলে খেলি।’

তিনি বলে গেলেন, ‘এরপর আমরা আমাদের পুরো শক্তি ও গতি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ি এবং তারা আমাদের সেই আক্রমণের সাথে তাল মেলাতে পারছিল না। আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল খেলার সেই তীব্রতা।’

আরও গোল করতে না পারার আক্ষেপ থেকে গেছে কেইনের মনে, ‘দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ২০ মিনিটে আমরা এমন একটা সময় পেয়েছিলাম, যখন আমরা অনায়াসেই আরও তিন বা চারটি গোল করতে পারতাম। একটি শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এটি সত্যিই একটি চমৎকার ফলাফল।’

এফএইচএম