পর্তুগালের প্রথম ম্যাচের আগে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে নেমে পর্তুগিজ তারকার শুরুটা অবশ্য হয়েছে মলিন। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচের বেশিরভাগ সময়ই নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন। ম্যাচটিতে পর্তুগাল ১-১ গোলে ড্র করে।
পুরো ম্যাচে অন টার্গেট কোনো শটই নিতে পারেননি রোনালদো। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি করা উচিত ছিল কি না এমন প্রশ্নও উঠছে। তারকা ফুটবলারের ব্যর্থতার পরও তার পাশে দাঁড়িয়েছেন পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজ। ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমকে তিনি বলছেন, বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলদাতাকে তুলে নেওয়ার কোনো যুক্তি তিনি দেখেননি।
এদিকে, রোনালদোর মাঠের খেলায় যে বয়সের ছাপ পড়ছে সেটি মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রতিপক্ষেরই একজন ফুটবলার। কঙ্গোর মিডফিল্ডার এনগাল'অয়েল মুকাউ রোনালদোকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তার দাবি, ৪১ বছর বয়সী পর্তুগিজ তারকাকে আটকাতে আলাদা কোনো পরিকল্পনাই করতে হয়নি তাদের।
মুকাউ বলেন, ‘রোনালদো আগের মতো নেই। এখন তার বয়স হয়েছে। এই বয়সে আগের মতো পরিশ্রম বা দৌড়ঝাঁপ করা সম্ভব নয়।’
তবে সমালোচনার পাশাপাশি রোনালদোর প্রতি সম্মানও জানিয়েছেন কঙ্গোর এই ফুটবলার। তিনি বলেন, ‘তবুও তার প্রতি অনেক শ্রদ্ধা আছে। তিনি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। সর্বকালের সেরাদের একজন।’
আন্তর্জাতিক ম্যাচে রোনালদোর গোলখরা আরও দীর্ঘ হয়েছে। বিশ্বকাপ ও ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচ ধরে তিনি গোলহীন। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করার পর বিশ্বকাপের মঞ্চে আর জালের দেখা পাননি পর্তুগালের অধিনায়ক।
এফআই

