২০১৪ সালে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ব্রাজিল জার্মানির কাছে বিধ্বস্ত হয়েছিল। ৭-১ গোলে সেই হারের পর জার্মানিকে আর একবারই পেয়েছিল সেলেসাওরা। বার্লিনে প্রীতি ম্যাচটি গ্যাব্রিয়েল জেসুসের একমাত্র গোলে জিতেছিল। ওইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর জার্মানি পরের দুটি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে যাওয়ায় ব্রাজিলের সঙ্গে দেখা হওয়ার সুযোগটুকুও আসেনি। তবে এবারের বিশ্বকাপে সেই সম্ভাবনা আছে। এমনকি শেষ ৩২-এ দেখা হয়ে যেতে পারে দুই দলের।
এই টুর্নামেন্টে জার্মানি রয়েছে গ্রুপ ই-তে এবং ব্রাজিল রয়েছে গ্রুপ সি-তে। নকআউট পর্বের সূচি অনুযায়ী এই দুই পরাশক্তির মুখোমুখি হওয়ার বেশ ভালো সম্ভাবনা আছে। সবচেয়ে সহজ সমীকরণ, নকআউট পর্বের প্রথম রাউন্ডে মানে শেষ ৩২-এ জার্মানি বনাম ব্রাজিল ম্যাচটি হতে পারে, যদি জার্মানি তাদের গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয় এবং ব্রাজিল তাদের গ্রুপে ৩য় স্থান অর্জন করে নকআউটে ওঠে।
কারণ, রাউন্ড অব ৩২-এর নিয়ম অনুযায়ী গ্রুপ ই-এর চ্যাম্পিয়ন দল মুখোমুখি হবে গ্রুপ এ/বি/সি/ডি/এফ-এর অন্যতম সেরা তৃতীয় স্থান অধিকারী দলের।

শেষ ষোলোতেও তাদের দেখা হওয়ার সম্ভাবনা আছে। যদি দুটি দলই যার যার গ্রুপ থেকে সরাসরি প্রথম বা দ্বিতীয় হয়ে নকআউটে কোয়ালিফাই করে, তবে ব্র্যাকেটের পজিশন অনুযায়ী তাদের দেখা হতে পারে।
ব্রাজিল যদি গ্রুপ সি-এর রানার্স-আপ হয়, তবে তারা রাউন্ড অব ৩২-এ খেলবে গ্রুপ এফ-এর চ্যাম্পিয়নের সাথে। অন্যদিকে জার্মানি গ্রুপ ই-এর রানার্স-আপ হলে খেলবে গ্রুপ আই-এর রানার্স-আপের সাথে। এই দুই পথের বিজয়ী দলগুলো কোয়ার্টার ফাইনাল বা সেমিফাইনালের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে মুখোমুখি হতে পারে।
ব্রাজিল ও জার্মানি নিজ নিজ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর যার যার ম্যাচ জিততে থাকলে টুর্নামেন্টের একদম শেষদিকের ধাপে যেমন সেমিফাইনাল বা ফাইনাল গিয়ে তাদের দেখা হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, সবচেয়ে দ্রুত জার্মানি-ব্রাজিল মহারণ দেখার সুযোগ রয়েছে রাউন্ড অব ৩২-এই, যার জন্য জার্মানিকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং ব্রাজিলকে সেরা চারটির একটি হয়ে ৩য় স্থানে থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করতে হবে।
এফএইচএম

