ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামের প্রেসবক্সের আসন সীমিত। ব্রাজিল-হাইতির সাংবাদিকরা সেখানে বেশি ছিলেন। ব্রাজিল ম্যাচ কাভার করতে অনেক দেশের সাংবাদিকের আগ্রহ রয়েছে। তাদের গ্যালারির একটা অংশে বসার জায়গা করে দিয়েছে ফিফা। সেখানে ল্যাপটপ বসানোর জায়গা, চার্জিং পয়েন্টসহ মিডিয়ার সাধারণ সুবিধা না থাকলেও দর্শক উন্মাদনা দেখার সুযোগ অবশ্য অবধারিত।
খেলা শুরুর আগে থেকেই ব্রাজিলের সমর্থকদের ঢেউ দেখা গেছে। ম্যাচ শুরু হওয়ার পর দেখা গেল স্টেডিয়ামে উপস্থিতির ৮০ শতাংশই যেন ব্রাজিল। তাই ব্রাজিলের প্রতি আক্রমণে স্টেডিয়াম ফেটে পড়েছে। প্রথম গোল বাতিল হওয়ার পর হতাশার খণ্ড চিত্রও দেখা যায়।

মিডিয়া ট্রিবিউনের মধ্যে কিছু অংশ ছিল ব্রাজিল সমর্থকও। সাও পাওলো থেকে বাবা রিকার্ডোর সঙ্গে এসেছেন ছেলে ওহিও। প্রতিটি গোলের পর বাবা ছেলে উল্লাসে মেতেছেন। বাবা-ছেলে ফুটবল নিয়ে খুঁনসুটিও করেছেন পর্তুগিজ ভাষায় মাঝে মধ্যে। বাংলাদেশের সাংবাদিকরা তাদের পেছনে থাকায় ব্রাজিলকে বাংলাদেশের অনেক সমর্থক থাকায় তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।
ব্রাজিল হাইতির বিপক্ষে স্পষ্ট ফেভারিট। প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে এগিয়ে৷ ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের তৃতীয় গোলের পর ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে, ‘ওলে, ওলে, ব্রাজিল’ কোরাসে আওয়াজ উঠে অনেকক্ষণ। প্রথমার্ধে ব্রাজিল পোস্টের পেছনে কয়েক হাজার হাইতি সমর্থক ছিলেন। তারা নিজেরা স্লোগান তুললেও ব্রাজিল সমর্থকদের আধিক্যের কারণে বেশি জোর হয়নি।
এজেড/

